Follow

নাস্তিক বিজ্ঞানীরা হতবাক জীবনের উৎপত্তি গভীরে গিয়ে দেখলেন এবং চমকে গেলেন || Page-87

  নাস্তিক বিজ্ঞানীরা হতবাক জীবনের উৎপত্তি গভীরে গিয়ে দেখলেন এবং চমকে গেলেন   





বিবর্তনবাদীদের কাছে সময় হচ্ছে ঈশ্বর, কালক্রমে সবকিছু আপনা থেকে হয়ে গেছে। কিন্তু কেবল চান্স’-এর সাহায্যে কাল’ কিভাবে এমন সূক্ষ্ম জটিল টেকনােলজির উদ্ভাবন করল, বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। 


একটি পরীক্ষায় একটি ঘরে কিছু টাইপ রাইটার রেখে কিছু বাঁদর ছেড়ে পরীক্ষা করে দেখা হয়েছিল, বাই চান্স কোন অর্থপূর্ণ বাক্য বা কবিতার পংক্তি বেরােয় কিনা। উদেশ্যহীন চাপাচাপিতে কিছু অক্ষরের ছাপ পড়লেও, পরে গবেষকরা দেখেন যে টাইপরাইটার বস্তুটিই খুঁজে পাওয়া দুষ্কর বাঁদরামিতে সব লণ্ডভণ্ড!


আরেকটি পরীক্ষায় একটি কমপিউটারে প্রােগ্রামিং করে তাকে ২৬টি অক্ষরের বর্ণমালা তৈরী করতে দেওয়া হয়। অবশ্য অক্ষরগুলি আগেই ‘put করা হয়েছিল। এক-দু হাজার নয়, ৩৫-এর পর ১২টি শূন্য দিলে যা হবে, অর্থাৎ তিনশাে পঞ্চাশ লক্ষ কোটি বার চেষ্টার পর ১৪টি অক্ষর লিখতে পেরেছিল কমপিউটার। 


তাহলে একটি ডি.এন.এ অণুর উদ্ভব? প্রকৃতিতে কোন কমপিউটার ছিল না, আর সময়ের বুদ্ধি নেই। জলের আণবিক ওজন ১৮, ডি. এন. এ. অণুর আণবিক ওজন ৮০০০ কোটি, আমরা যেন মনে রাখি। অতএব কত লক্ষ কোটি পরমাণুর নিখুঁত সমন্বয় এটি, তা হিসাব করতে হবে। একটি সরল কোষেরও উদ্ভব হতে হলে ১০০ ধরনের ৬০ হাজার প্রােটিনের নিখুঁত সিকোয়েন্স বা সারণী প্রয়ােজন। ঘটনাচক্রে  কি সম্ভব হাতে পারে ? একে বারে সম্ভব নয়। 


কত লম্বা হওয়া দরকার ঘটনার চক্র? সমস্ত ফ্যাক্টর মিলে সেই সম্ভাবনা 10^4478296 অর্থাৎ এক-এর পর 4,478,296 টি শূন্য, জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা ('Evolution Is Biologically Impossible' by Joseph Mastropaolo) অবশ্য যদি ঘটনাচক্রে সেটা ঘটেও যায় সেই নির্জীব বস্তুপুঞ্জে চেতন প্রাণের সঞ্চার কিভাবে হল, তার সমাধান  সম্পূর্ণ  বাকী। মানুষ মরে গেলে, কোটি কোটি কোষ সজীব থাকলেও দেহতাে থাকে নিস্প্রান , নির্জীব।।



জেনেটিক অফ অন সুইচ 


একটি মাত্র কোষ কত জটিল, নিখুঁতভাবে ডিজাইন করা যে এর থেকে হঠাৎই জিন মিউটেশানে অন্য প্রজাতির আবির্ভাব এক সম্ভাব্যতা-বর্জিত  সেকেলে ধারণা ছাড়া কিছু নয়- প্রমাণ করছে অত্যাধুনিক জেনেটিক রিসার্চ। 



ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকত ডি.এন.এ তে ১০ হাজার স্থান চিহ্নিত করেন, যেগুলি অফ-অন সুইচের মতাে কাজ করে  ঐ কোষকে একটি সুনির্দিষ্ট কাজ নিখুঁতভাবে করতে সাহায্য করে। অফ বা অন-এর জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশ কোথা থেকে তৈরী হয়, সে বিষয়ে তারা অবশ্য অন্ধকারে। 


Gentec Switch’ 


“Scientists at the University of California, San Diego and Los Angeles, have pin. pointed over 10,000 regions of human DNAs that function as genetic off-on switches or “promoters” to control the specific activity of nearly 8,000 genes.The discovery has helped researchers prepare a computer algorithm that can assess and indicate how a cell is programmed to perform specialised tasks.

অত্যাধুনিক জিন রিসার্চ আরও বিস্ময়কর তথ্য উপস্থিত করছে যে, জেনেটিক কোডই  সবনয়, দেহের সমস্ত বৈশিষ্ট্যের উদ্ভবের নির্দেশ কেবল জিন থেকে আসে না – জিন জীবনের চূড়ান্ত বা Ultimate কিছু নয়। রয়েছে আরও রহস্যের গভীরতা। সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে বড় জিন প্রােজেক্ট, হিউম্যান জিনােম প্রােজেক্ট ভেঙ্গে দিয়েছে দীর্ঘ-লালিত জিন-মিথ, সলজ্জ বিজ্ঞানীরা তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতেও কুণ্ঠিত।।


Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Popular Posts

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION