Page

Follow

মহাবিশ্বের উদ্ভব ও দুর্ঘটনা না সুপরিকল্পনা ? মহাবিশ্ব এক মহাপরিকল্পনার ফলশ্রুতি; প্রমাণ অনন্ত।PAGE-39

 

 মহাবিশ্ব এক মহাপরিকল্পনার ফলশ্রুতি; প্রমাণ অনন্ত।

PAGE-39



 ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমাণু থেকে সৌরজগৎ – মাইক্রোকজম  কিংবা ম্যাক্রোকজম অর্থাৎ কসমস বা মহাবিশ্ব – সব কিছুতেই সুস্পষ্ট এই পরিকল্পনার ছাপ।



ওজোন আবরণ  কি  আকস্মিক ?


মহাতেজোময় অংশুমান, সূর্য থেকে বিনিঃসৃত কিরণরাশি পৃথিবীকে দান করে তাপ ও আলােক। সেই সাথে কিছু এমন রশ্মিও নিঃসৃত হয় সূর্য থেকে, যা পৃথিবীর জীবকূলের জন্য ক্ষতিকারক (ঐসব রশ্মির হয়ত মহাকাশে অন্যতর উপযােগিতা আছে)। বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ করেছেন, জীবজগতকে এই ক্ষতিকর রশ্মিসমূহ থেকে রক্ষা করছে পৃথিবীকে মুড়ে রাখা ‘ওজোন’ নামক একটি অত্যন্ত পাতলা

গ্যাসের চাদর। 


এটি এক অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী ফিল্টার, যা সূর্যের সমস্ত রশ্মিকে যেতে দেয়, আটকায় কেবল ক্ষতিকর রশ্মিকে। বিশেষতঃ ২২০ থেকে ২৯০ ন্যানাে মিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আল্ট্রা  ভায়ােলেট বা অতিবেগুনী রশ্মিকে। 



মাত্র কয়েক মিলিমিটার পুরু এই ওজোন চাদর প্রতিহত করে – ওজোন কোটিং-এ রিফ্লেক্ট বা প্রতিফলিত হয়ে এটি মহাকাশে বিচ্ছুরিত হয় – প্রবেশ করতে পারে না পৃথিবীর পরিমণ্ডলে। ক্যানসার সহ নানা দুরারােগ্য রােগ থেকে রক্ষা পায় পৃথিবীর জীব।


 পৃথিবীর ‘স্ট্রাটোস্ফিয়ারের এই ওজোন-এর বিশাল অবিচ্ছিন্ন গ্লোবের মধ্যে রয়েছে পৃথিবী গ্রহ। ক্ষতিকর গ্যাস এড়াতে মানুষ যে গ্যাস-মাস্ক ব্যবহার করে তা সুপরিকল্পিতভাবে ডিজাইন করা ইঞ্জিনীয়ারদের। সমগ্র পৃথিবীর জীবকূলের জন্য অতিপ্রয়ােজনীয় এই গ্যাস-গ্লোবটি এই সুযত্নের নিদর্শনঃ এটি কি ‘অ্যাকসিডেন্টাল’?



বর্তমানে শিল্পোন্নতির কল্যাণে অবশ্য সি.এফ.সি প্রভৃতি বিষাক্ত গ্যাসে ইতিমধ্যেই আমেরিকা মহাদেশের সমান গর্ত তৈরী হয়েছে, বিজ্ঞানীরা যার নাম দিয়েছেন ‘ওজোনহােল’ বা ওজোন গহুর। এখনই এই ক্ষতি বন্ধ হলেও, ইতিমধ্যেই সষ্ট ঐ গহর পূরণ হতে লাগবে কয়েকশ বছর। উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা।


সর্বত্রই নিখুঁত গণিতঃবিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ২০টি মৌল ধ্রুবক


 বিশ্বসষ্টির প্রতি কন্দরে নিহিত রয়েছে অদ্ভুত বিস্ময়, নিখুঁত গাণিতিক শৃঙ্খলা, যার সামান্য  ইতরবিশেষে সম্ভব হতাে না সৌরজগতের অস্তিত্ব। বিজ্ঞানীরাই সন্ধান দিচ্ছেন এইসব তথ্যের।


যেমন, বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে নিউটন আবিষ্কৃত মহাকর্ষীয় ধ্রুবক বা G -এর মান বর্তমানে যা আছে তার চেয়ে যদি মাত্র ০.০০০০০১ অর্থাৎ দশ লক্ষ ভাগের একভাগ কম হতাে, তাহলে সূর্যের আয়তন হতাে অনেক ছােট আর তার স্থায়িত্ব? বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুসারে তৈরী হবার মাত্র এক বছরের মধ্যেই নিঃশেষিত হয়ে যেত, শত শত কোটি বছর ধরে দিত না স্বর্ণালি কিরণরাশি, প্রাণদায়ী উত্তাপ। 


তেমনি পক্ষান্তরে যদি ঐ ধ্রুবক, G-এর মান দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগও বেশি হত, সূর্য ফেপে ফুলে হতাে এক দৈত্যাকার গ্যাসীয় গ্লোব, যার থেকে নিঃসৃত হতাে না তেজোময় আলােকমালা, অস্তিত্ব হতাে ক্ষণস্থায়ী।


 G-এর মান কি নির্ভেজাল ঘটনাচক্র, আর আকস্মিকতার ফল? 


পদার্থের অণুর আয়তন, চার্জ ইত্যাদি-সংক্রান্ত রয়েছে ২০টি মৌল পরিমাপ (20 Fundamental Quantities)। এর প্রতিটিই গ্রহ-নক্ষত্রগুলির বর্তমান রূপ ও জীবনের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য অপরিহার্য। এই মান এজন্য অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে নির্ধারিত থাকা আবশ্যিক সামান্য অন্যথার ফলশ্রুতি মহাবিশৃঙ্খলা। বিজ্ঞানীরা বিস্মিত অপরিহার্য এই পরিমাপগুলি কি আকস্মিক দুর্ঘটনার ফলশ্রুতি?


Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline