Page

Follow

মহাবিশ্বের উদ্ভব ও দুর্ঘটনা না সুপরিকল্পনা ? নিউটনের মডেল। PAGE-38

 

 মহাবিশ্বের উদ্ভব ও দুর্ঘটনা না সুপরিকল্পনা ?নিউটনের মডেল।

PAGE-38


আইজ্যাক নিউটন একবার একটি সৌরজগৎ বা সােলার সিস্টেমের ছােট প্রতিরূপ বা মডেল তৈরী করেছিলেন। তৈরী হওয়ার পর সেটাকে তাঁর বাড়ীতে একটি বড় টেবিলের উপর রাখা হয়েছিল। সেটি ছিল সুন্দর শিল্প-কুশলতার নিদর্শন; সেখানে বিভিন্ন আকৃতির গ্রহগুলি তাদের পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রেখে নিখুঁত বিন্যাসে সজ্জিত ছিল, আর শুধু তাই নয়, একটি ক্রাঙ্ক ঘােরালে গ্রহগুলিকে তাদের কক্ষপথে বিভিন্ন গতিতে আবর্তন করতেও দেখা যাচ্ছিল।



একবার নিউটনের একজন নাস্তিক বন্ধু নিউটনের বাড়ীতে এলেন এবং স্বভাবতঃ সৌরজগতের মডেলটি দেখে বিমুগ্ধ হলেন। মডেলটির শিল্পী বা কারিগরের অনেক প্রশংসা করার পর তিনি সেই কারিগর সম্বন্ধে জানতে চাইলেন। 


নিউটন পূর্ণ গাম্ভীর্যে উত্তর দিলেন যে তার কোনাে কারিগর নেই। দুর্ঘটনাক্রমে, বাইচান্স’, এটি তৈরী হয়ে গেছে। ঐ অতিথিবন্ধুর অবশ্য তা বিশ্বাস হলাে না। অবশেষে, নিউটন ব্যাখ্যা করলেন, “তুমি এটা মেনে নিতে চাইছ না যে এই ছােট্ট ব্যবস্থাটি আকস্মিকভাবে আপনা থেকে হয়ে গেছে, কিন্তু অপরদিকে তুমি এসম্বন্ধে দৃঢ়নিশ্চিত যে, আসল ব্যবস্থাটি, প্রকৃত সৌরজগৎ-এই যন্ত্রব্যবস্থা যার মডেল মাত্র—কোনাে ডিজাইনার বা রূপকার ছাড়াই আপনা থেকেই রূপায়িত হয়ে গেছে। এখন আমাকে বল, কেমন যুক্তির দ্বারা এইরকম একটা উদ্ভট সিদ্ধান্তে তুমি উপনীত হলে?




এইভাবে বিজ্ঞানী নিউটন তাঁর নাস্তিক বন্ধুকে উপলব্ধি করিয়েছিলেন যে এই অত্যাশ্চর্য বিশ্ব-ব্যবস্থার পিছনে রয়েছে ভগবানের পরম, অচিন্ত্য বুদ্ধিমত্তা।

এমন অনেক সৎ বিজ্ঞানী রয়েছেন, যারা তাদের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে গবেষণায় প্রথম সারিতে থাকলেও এবং বিজ্ঞানের চমকপ্রদ ক্ষমতা ও অবদান সম্বন্ধে পূর্ণরূপে সচেতন হয়েও তাঁরা বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কথা অকপটে বলেন, তাঁরা স্বীকার করেন, এই অত্যাশ্চর্য সুবিপুল সৃষ্টি, এর শৃঙ্খলা, সুপরিকল্পিত বিন্যাস ও সংগঠন, এর সুনিয়ন্ত্রণ সম্বন্ধে উত্থাপিত প্রশ্নগুলির উত্তর দানে বিজ্ঞান অক্ষম।


 বহু বছর গবেষণা শেষে আইজ্যাক নিউটন এজন্য এটাই বলতে বাধ্য হয়েছিলেন ঃ “ বিশ্ববাসীর কাছে কেমন মনে হবে আমি জানি না, কিন্তু আমার নিজের কাছে নিজেকে একটি মহাসমুদ্রের তটভূমিতে খেলায় মত্ত একটি ছােট্ট বালকের মতােই মনে হয় যে কখনাে হয়ত সাধারণের থেকে একটু বেশি চকচকে নুড়ি কিংবা সুন্দর একটি ঝিনুক খুঁজে পাচ্ছি, যখন সত্যের অনন্ত মহাসাগর আমার কাছে থেকে যাচ্ছে অনাবিষ্কৃত।



”** অর্থাৎ বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার, নিউটনের মতে, কেবল সত্যের মহাসাগরের বেলাভূমিতে কয়েকটি নুড়ি ও ঝিনুকের সন্ধান পাওয়ার মতােই। * 


Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline