Page

Follow

মহাবিশ্বের উদ্ভবঃ দুর্ঘটনা না সুপরিকল্পনা :মহাবিস্ফোরণ-তত্ত্বের মহাসমস্যা। বিস্ফোরণের এক সেকেণ্ড আগে || সিঙ্গুলারিটির অনিবার্য সমস্যা || জলন্ত সূর্য, স্নিগ্ধতি চাঁদ, শ্যামল পৃথিবী || গ্যালাক্সি তৈরী,PAGE-32

 

 মহাবিস্ফোরণ-তত্ত্বের মহাসমস্যা। 

PAGE-32



১৯৯৯-এর মার্চ" সায়েন্স এণ্ড রিলিজিয়ন’ নামের একটি রিপাের্টে একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় খবর ছাপা হয়, যার শিরােনাম ছিল ? “Renowned Scientists Contemplate the Evidence for God,”



অর্থাৎ,“প্রখ্যাত বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পাচ্ছেন ভগবানের অস্তিত্বের। ১২-১৪ই এপ্রিল, ১৯৯৯ প্রথিতযশা বিজ্ঞানীদের সংঘ A.A.A.S, একটি সিম্পােজিয়ামের আয়ােজন করে স্মিথােসিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়ামে, যার বিষয়—শিরােনাম ছিল ‘কসমিক কোশ্চেনস’ বা ‘মহাজাগতিক প্রশ্নাবলী। 


মহাজগতের রহস্য-বিষয়ক সন্মেলনে ::

সায়েন্স মিস্ গড’ অর্থাৎ “বিজ্ঞান এখন ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করছে”। মহাজগতের রহস্য-বিষয়ক ঐ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বর্তমান বিশ্বের প্রথম সারির স্বনামধন্য বিজ্ঞানীরা, যাঁদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন নােবেলবিজয়ী স্টিফেন উইনবাগ, কোয়ান্টাম-তত্ত্বের প্রবক্তা নােবেলজয়ী স্টিফেন হকিং, কসমােলজিস্ট জোয়েল প’ ম্যাক, কণা-পদার্থবিদ রকি কোলব , SETI ইনস্টিটিউটের জ্যোতির্বিদ জিল টার্টার, জন লেনসি প্রমুখ। 


তাঁরা স্বীকার করেন যে বিগ ব্যাং থিওরি যত প্রশ্নের উত্তর দেয়, তার চেয়ে বেশি প্রশ্ন তৈরী করে, যাদের উত্তর বের করা অসম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, ‘আপনা থেকে’, ‘দৈবদুর্ঘটনাক্রমে’ বা অ্যাকসিডেন্টালি এই অপূর্ব শৃঙ্খলাপূর্ণ বিশ্বের উদ্ভব এক দূর কল্পনা ছাড়া কিছুই নয় , আর এই তত্ত্বের কোনাে প্রামাণিক ভিত্তি দান একরকম অসম্ভব। 


১২শাে কোটি বছর আগের মহাজাগতিক ঘটনার ‘প্রমাণ’ উপস্থাপন করার চেষ্টা করাই মহাজাগতিক বােকামির নামান্তর , কেবল অনুমান , অনুমান এবং অনুমান। 


 বিগ ব্যাং থিওরির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিতে গিয়ে বলা হয়েছে , 'This universe, most of the scientists believe , sprang from nothingness in a cataclysmic burst of energy around 12 billion years ago; ” Believe' বা বিশ্বাস শব্দটি নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন – বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন , অর্থাৎ ‘অনুমান’ বা কল্পনা করেন, যার কোনই প্রামাণিক ভিত্তি নেই।


 আর ‘অধিকাংশ বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন , তার অর্থ কিছু অংশ করেন না – অর্থাৎ এই তত্ত্ব যুক্তিগ্রাহ্য নয় বলেই সেটি সর্বজনস্বীকৃত নয়। কেন নয় ?তার কয়েকটি মাত্র সহজবােধ্য কারণ আমরা আলােচনা করব। 



বিস্ফোরণের এক সেকেণ্ড আগে:::::



 এই মতবাদের প্রবক্তারা বলেন , মহাবিস্ফোরণের পর সময় ও স্থান (Time ও Space) এসেছে। তাহলে তার এক সেকেণ্ড পূর্বেও সময়’ও ‘স্থানকি অবস্থায় ছিল? এই মাত্রা-দুটি অবশ্যই ছিল , নাহলে ঘটনা-পর্যায়ে উদ্ভব হতাে না জগতের , ঘটত না বিগ ব্যাং। 


অতএব ছিল , কিন্তু কি অবস্থায় ? ঐ অপরিমেয় তাপমাত্রা ও ঘনত্বপূর্ণ একতাল পদার্থের উদ্ভব কিভাবে এবং তার উদ্ভবের আদি কারণ কি? এভাবে দেখা যায় , এই তত্ত্ব মহাবিশ্বের ‘উৎপত্তি’ থেকে শুরু করেনি , কারণ ব্যখ্যা করেনি।।


 অংক, হিসাব সবই তছনছ ..... 


অপরিসীম ঘনত্বময় এক বিন্দু। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি সেলসিয়াস নয়, হিসাবের অতীত তাপমাত্রা।  সময়-স্থানের অবচ্যুত (Time-space Curvatune) অনন্ত। এ-অবস্থায়, ভৌত পদার্থের নিয়ম, গাণিতিক হিসাব সবই অচল।


 পদার্থ ও গণিতবিদ্যার নিয়ম-কানুনের প্রয়ােগ নিষ্ফল। এরপর প্রবল বিস্ফোরণ। এক সেকেন্ডের কোটি কোটি ভাগের এক ভাগ - সেকেন্ডের অপরিমেয় ক্ষুদ্র ভগ্নাংশের মধ্যে ফোটন-ইলেকট্রন আর ইলেকট্রন-কোয়ার্ক হয়ে নিউট্রন-প্রােটন তৈরী—তারপর, নিউক্লিয়র সিন্থেসিসে মাত্র প্রথম তিন মিনিটে ভিন্নরূপে মহাবিশ্ব।


 মাত্র তিন মিনিটে ঘটে গেল সব কিছু। পদার্থবিদ্যাগতভাবে অবর্ণনীয় এই সব অবস্থা কেবল কল্পনাই করা যেতে পারে, দেওয়া যায় না কোনাে আংকিক ভৌত প্রমাণ।


 পরীক্ষাগারে এইসব অবস্থার গবেষণার চিন্তাও বাতুলতা। তাহলে বাকী রইল কেবল অনুমান। সেটিকেই আশ্রয় করেছেন এই তত্ত্ব-প্রবক্তারা। তাঁরা The First Three Minutes বইয়ে এ-বিষয়ে আলােকপাত করেছেন নােবেলজয়ী বিজ্ঞানী স্টিফেন উইনবাগ। 


 সিঙ্গুলারিটির অনিবার্য সমস্যা.....



 কোন সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে ভাগ করার চেষ্টা করলে কি মিলবে? ১?... ৫?...৫ লক্ষ কোটি ? বলা অসম্ভব। এই অবস্থাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় “সিঙ্গুলারিটি” বিশ্বের উৎপত্তির সময় যখন পদার্থের আয়তন শূন্য, ঘনত্ব অসীম, তাপ অসীম, সেই সময় অংক, পদার্থবিদ্যার নিয়ম কাজে আসে না; তখন ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া যায় ঘটনা-পর্যায়ের বর্ণনা। 


আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারেননি। উৎপত্তির বিবরণে দিতে পারেননি গাণিতিক ছোঁয়া। তৈরী করেছেন অনুমান-নির্ভর রূপকথা। স্টিফেন উইনবার্গ মহাবিশ্বের উৎপত্তি-মতবাদটি নিয়ে একটি রঙীনতথ্যচিত্র করতে গিয়ে খেদ প্রকাশ করেছেন, “Unfortunately I cannot start the film at Zero time and infinite temperature" ; সিঙ্গুলারিটির এই সমস্যা বিশ্ব উৎপত্তির মুহূর্তের অবস্থাকে ‘গাণিতিক সম্ভাব্যতাহীন (Mathematical impossibility) করে তুলেছে, যা তত্ত্বটিকেই নস্যাৎ করে।* 


 দুই তত্ত্বের সমন্বয়ের চেষ্টা বিফলতার ইতিহাস ::


স্পেস-টাইম-এর মৌল কাঠামাে ব্যাখ্যার জন্য প্রয়ােজন আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদ। অবপারমাণবিক পদার্থকণাসমূহের (Sub-atomic particles) আচরণ ব্যাখ্যা করতে প্রয়ােজন কোয়ান্টাম মেকানিক্স তত্ত্ব। অথচ, দুর্ভাগ্যক্রমে, এই তত্ত্ব দুটি একে অপরের আপাতদৃষ্টিতে বিরােধিতাই করে থাকে। এই বিরােধিতার নিরসনে উদ্ভাবিত হলাে স্ট্রিং থিওরী। এই তত্ত্ব কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্তের সমন্বয় সাধন করে ইলেকট্রন-কণাসমূহের আচরণ ব্যাখ্যার চেষ্টা করল। 



প্রথমে বিজ্ঞানী মহলে এই চেষ্টা বেশ লক্ষণীয় সাফল্য পেলেও উত্তেজনা থিতিয়ে পড়তে সময় নেয় নি। হলাে না আজও নতুন প্রশ্নের মীমাংসা। এই তত্ত্বের খােদ উদ্ভাবক, নােবেল বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ পি.এ.এম ডিরাক স্বীকার করলেন, “It seems to be quite impossible to put the theory on a sound mathemetical basis."  অর্থাৎ  তত্ত্বটিকে সুসংগত গাণিতিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করাকে সম্পূর্ণ অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে”"।। । 



জলন্ত সূর্য, স্নিগ্ধতি চাঁদ, শ্যামল পৃথিবী .... .।



 কল্পনা করুন মহাবিস্ফোরণ ঘটল। বিন্দুর মতাে উৎস থেকে চতুর্দিকে অকল্পনীয় গতিতে ছড়িয়ে পড়তে লাগল ম্যাস’ বা পদার্থ-রাশি। তাহলে মহাবিশ্বের সর্বত্রই এবং সবসময়ের জন্য পদার্থের ঘনত্ব হওয়া উচিত ছিল একই রকম- একই চরিত্রের। কিভাবে গঠিত হল গ্যালাক্সি, তারকারাজি ও গ্রহসমূহ ? 


“If the expansion of the universe started off from a point-like source, matter-density should have been uniform everywhere and for all time, and the cosmos today ought to have been a homogeneous blob. Then how did the galaxies, stars and planets come form ?” 


 সূর্যের প্রচণ্ড শক্তিভাণ্ডারের কথা ভাবুন। সূর্য এক সেকেণ্ডে যে শক্তি নিঃসৃত করে তার পরিমাণ মানুষ গত এক কোটি বছরে যে শক্তি ব্যবহার করেছে তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি। 


পাশাপাশি স্নীগ্ধজ্বল চাঁদ, দিগন্ত বিস্তৃত জলতরঙ্গময় মহাসাগর-ঘেরা এই শ্যামলিমাময় পৃথিবী। ছায়াপথ, নীহারিকা, কোয়াসার ... অনন্ত সৃষ্টিবৈচিত্র্য কেবল একটি বিস্ফোরণে। 


এর চেয়ে হিমালয়ের পর্বত-পাদদেশে একটি বিরাট ধ্বস থেকে তৈরী হলাে ইমারত-শােভিত এক সুন্দর সুদৃশ্য শহর, এই কাহিনীও অধিকতর বিশ্বাসযােগ্য হতে পারে।




গ্যালাক্সি তৈরী



কিভাবে বিগ ব্যাং বা বিশাল বিস্ফোরণ থেকে গ্যালাক্সিগুলি তৈরী হতে পারে, কোন বিজ্ঞানীর কাছেই তা পরিষ্কার নয়। বিস্ফোরণের পর সর্বত্র সমভাবে গ্যাসীয় মেঘ ছড়িয়ে থাকত আর বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুসারে তখন পদার্থের ঘনত্ব (matter density) হত সম্ভবতঃ কয়েক ঘনফুটে একটি পরমাণু। কিভাবে হতে পারে গ্যালাক্সির উদ্ভব? 


স্টিভেন উইনবাগ, The First Three Minutes' বইয়ে "The theory of the formation of galaxies is one of the great outstanding problems in astrophysics.” অর্থাৎ, “গ্যালাক্সিগুলির উদ্ভবের তত্ত্ব জ্যোতির্পদার্থবিদ্যায় সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য বিপুল সমস্যাগুলির একটি।” 


হােয়াইট হােলস্ বইয়ের রচয়িতা বিজ্ঞানী জন গ্রীবিনঃ “Could the white holes actually fragment themselves so that galaxies would reproduce themselves like amoebas, by parthenogenesis ? 


That sounds so unlikely in terms of our everyday experience of the behaviour of matter that it's worth looking at the standard theories of galaxy formation to show just how :hopelesthey are as explanations of the real universe.

” অর্থাৎ “শ্বেত গহ্বরগুলি কি প্রকৃতই নিজেদের টুকরাে খন্ডে এমনভাবে ভেঙে নিতে পারে, যাতে অ্যামিবার মতাে পার্থিনােজেনেসিস প্রক্রিয়ায় নিজেদের বিভাজিত করে সৃষ্টি করতে পারে?


 এটি পদার্থের আচরণ সম্পর্কে আমাদের প্রাত্যহিক 'অভিজ্ঞতার নিরিখে এতই অসম্ভব বলে মনে হয় যে গ্যালাক্সি গঠনের তত্ত্বগুলিকে আবার ভাল করে নিরীক্ষণ করা প্রয়ােজন হয়ে পড়ে – কেবল এটাই দেখানাের জন্য যে বাস্তব বিশ্বব্যবস্থার ব্যাখ্যা হিসাবে এই তত্ত্বগুলি কতই না সারবত্তাশূন্য।”


– হােয়াইট হােলস, জন গ্রীবিন




 আধুনিক কসমােলজিস্টদের কল্পনার বিস্তার দেখে বিজ্ঞানী গ্রীবিন তার হােয়াইট হােলস’ বা শ্বেত গহ্বর বইয়ে তাদেরকে ‘ক্রিয়েটিভ থিংকার’ বা ‘সৃজনশীল কল্পনাবিদ’ বলে বাহবা দেন, যারা আধুনিককালে অতীতের প্রফেট বা ভবিষ্যদ্রষ্টা, কল্পনাকারীদের স্থান গ্রহণ করে ছেন -


 "..... the latest series of imaginative leaps made by the creative thinkers today we call scientists rather than prophets, seers or oracles."



IUT মডেলঃ প্রশ্নের নিরসন নয়,
তৈরী করছে অজস্র প্রশ্ন


 প্রাকৃতিক কারণ (Natural Cause) অনুসারে ঘটে যাওয়া আকস্মিক এক মহাজাগতিক দুর্ঘটনা কসমিক অ্যাকসিডেন্টের মাধ্যমে অত্যন্ত জটিল ও শৃঙ্খলাপূর্ণ মহাবিশ্বের আবির্ভাবতত্ত্ব,


 বিগব্যাং থিওরীর গলদগুলি দূর করতে কিছু নাস্তিক বিজ্ঞানী বিশ্ব-সৃষ্টির এক নতুন মডেল তৈরী করেছেন : ‘Inflationary Universe Theory বা IUT মডেল। 



এই তত্ত্ব বিস্ফোরণ পূর্ববর্তী ক্ষণের বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করেছে—10-43 সেকেন্ড পূর্বে কি ঘটেছিল, এক মিলি সেকেন্ড আগে কি ঘটেছিল ইত্যাদি। 


এই তত্ত্বের কিছু প্রবক্তা ‘প্রসারণের যুগ’ বা ‘Epoch of Inflation' নামে একটি ধারণা (Concept) এই তত্ত্বে অন্তর্ভুক্ত করেন। 


কিন্তু এই সব তত্ত্বগুলি (Theory variants) সেই একই মৌল নীতির অনুগামী: নিয়ন্ত্রণবিহীনভাবে অন্ধ ভৌত শক্তির ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় আপনা থেকে ঘটেছিল এই সুসমঞ্জস্য ও জটিল ব্যবস্থাপনা-পূর্ণ বিশ্বের উদ্ভব। ফলে মূল বিগ ব্যাং থিওরীর মতাে IUT-ও একই রকম সমস্যায় দীর্ণ। প্রথমত; এই তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত প্রাকৃতিক নিয়মগুলি (Established Natural * Laws) লঙঘন করে ?



১. কার্য-কারণের নিয়ম (Law ofCausality) ::পরিদৃশমান কার্যের অবশ্যই একটি সম্পর্কিত কারণ থাকবে।

২. কৌণিক গতিবেগের সংরক্ষণ নিয়ম (The Law of Conservation ofAngular Momentum) :

 আমাদের সৌর জগতের পশ্চাৎমুখী গতি ('Retrigrade Motion') কোন সক্রিয় কারণের (Intervening Cause) উপস্থিতি ব্যতীত সম্ভব নয়। 


৩. তাপগতিবিদ্যার নিয়ম (The Law of Thermodynarmics):ভর ও শক্তির নিত্যতা ও পরিবর্ধিত এনট্রপি’। তাছাড়া, বিশ্বজাগতিক, রাসায়নিক, নাক্ষত্রিক, গ্রহসম্বন্ধীয় এবং জৈব  কারণ-সূত্র, শৃঙ্খলা ও সুবিন্যাস সম্বন্ধীয় অন্যান্য, অসংখ্য প্রশ্নের এক তালিকা রয়েছে, বিগ ব্যাং বা IUT উভয় তত্ত্বই যা ব্যাখ্যা করতে অক্ষম। 




সমস্ত জড় পদার্থ ও শক্তি সর্বপ্রথমে কোথা থেকে এল ?


 কিসের ফলে এই জড় ও শক্তি অস্তিত্বশীল হয়ে উঠল ? 


কিভাবে শূন্য থেকে ঘটা এক বিস্ফোরণ নিজেকে অনন্যসাধারণ এক সুবিন্যাসে সুগ্রথিত করল ?


 কিভাবে আমরা গ্যালাক্সি, সৌরজগৎ ও নক্ষত্রের অন্তর্লীন সূক্ষ্ম সামঞ্জস্যবিধান (Fine Tuning) ব্যাখ্যা করব?


কিভাবে আমরা এই মহাবিশ্বে যুগপৎ বিদ্যমান শূন্যস্থান ও গ্রহ-নক্ষত্রের মতাে ঘনীভূত বস্তুপুঞ্জের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করব? 


কিভাবে জড় বস্তু থেকে চেতন প্রাণ কণা, জীবনের উদ্ভব হলাে? 


সমস্ত জীবদেহের তথ্যসূত্র বা Information Code-ডি.এন.এ মেকানিজম কোথা থেকে এল?


 মহাবিস্ফোরণের এমন উচ্চ প্রযুক্তির অকল্পনীয় জটিল শৃঙ্খলা-বিন্যাস বুদ্ধিমত্তার নিয়ন্ত্রণহীনভাবে কেবল বিস্ফোরণ আর প্রাকৃতিক কারণে কিভাবে উদ্ভব’ তার ব্যাখ্যা এই সব কাল্পনিক তত্ত্বে আছে কি?


 এইসব কল্পনাপ্রসূত তত্ত্ব তাই প্রশ্নের নিরসন ঘটানাের পরিবর্তে, কেবল প্রশ্ন তৈরী করতে থাকে ক্রমাগত অজস্র সংখ্যায়।।




Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline