Page

Follow

মহাবিশ্বের উদ্ভব দুর্ঘটনা না সুপরিকল্পনা : বিগ ব্যাং তত্ত্ব :অবিসংবাদিত প্রমাণ সুপরিকল্পিত সৃষ্টির PAGE-30


 বিগ ব্যাং তত্ত্ব :অবিসংবাদিত প্রমাণ সুপরিকল্পিত সৃষ্টির 

PAGE-30

 

এক শতাব্দী আগেও নাস্তিক জ্যোতির্বিদ্রা  কল্পনা করতেন যে বিশ্বজগৎ অদিকাল ধরে বিদ্যমান। এর ফলে তারা সৃষ্টি ও তার ফলে স্রষ্টা-সংক্রান্ত সমস্যার দায় এড়াতেন সহজেই। 


কিন্তু বিংশ শতাব্দীতে এই বিগ ব্যাং' তত্ত্ব অন্ততঃ এটুকু প্রমাণ করল যে অতীতে একটি সময়ে সৃষ্টি ছিল না; একটি নির্দিষ্ট সময় থেকে (তাদের মতে ১৪০০ থেকে ২০০০ কোটি বছর আগে) ব্রহ্মাণ্ডের উদ্ভব হয়েছে। 


ফলে, আবারও শাস্ত্রের তথ্য অজান্তেই সমর্থন করে ফেলল আধুনিক বিশ্বতত্ত্ব: এক সময়ে সৃষ্টি ঘটেছে। এখন নাস্তিক বিজ্ঞানীদের এটিই দেখাবার, সৃষ্টি হয়েছে মহা-অ্যাকসিডেন্টে, মহা বিস্ফোরণে, এবং তার পরবর্তী ঘটনাচক্রে ছিল না কোন স্রষ্টার পরিকল্পনা, সব আপনাথেকেই হয়েছে।



বিগ ব্যাং তত্ত্ব বলেছে, প্রথমে বিশ্বের সব পদার্থ ছিল সংবদ্ধ, একটি বিন্দুর মতাে। প্রচণ্ড মাধ্যাকর্ষণের ফলে এদের আয়তন ছিল শূন্য—‘জিরাে ভলুম'। কল্পনা করুন, ১০ হাজার কোটি গ্যালাক্সির এই অকল্পনীয় ম্যাস, ভরের আয়তন শূন্য। এইভাবে শূন্যতা থেকে, Nothing থেকে বিস্ফোরণে পদার্থগুলি ভয়ংকর গতিবেগে ছুটতে শুরু করল মহাশূন্য দিয়ে। 


সেই ছুটন্ত পদার্থ ও শক্তি থেকে রচিত হল এক অকল্পনীয় ভারসাম্যে ভরা শৈল্পিক সৃষ্টির—যার মধ্যে সহাবস্থান সূর্য, চন্দ্র, সবুজ পৃথিবী, নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সির। প্রত্যেকের চরিত্র একে অন্যের থেকে আলাদা, অনবদ্য। 


বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ  ফ্রেড হয়েল বলেন, বিস্ফোরণ পদার্থকে কেবল দূরে সরিয়ে দেয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বিগ ব্যাং বিপরীত প্রতিক্রিয়া তৈরী করে—পদার্থ সংবদ্ধ হয়ে গ্যালাক্সি-গ্রহ-সূর্য তৈরী করেছে। 


 এমনকি প্রখ্যাত প্রফেসর স্টিফেন হকিং তাঁর ‘আ ব্রীফ হিস্ট্রি অব টাইম’বইয়ে জানাচ্ছেন, এই বিশ্ব এতটাই হিসাব নিকাশ ও ভারসাম্যের দ্বারা নিখুঁত সুসজ্জিত যে তা আমরা ধারণাও করতে পারি না।


 ব্রহ্মাণ্ডের প্রসারণের হারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে হকিং ঐ বইয়ে জানাচ্ছেন : "If the rate of expansion one second after the big bang had been smaller by even one part in a hundred thousand million million, the universe would have recollapsed before it ever reached its present size " (p-121-125). 


অর্থাৎ “যদি বিগ ব্যাং-এর এক সেকেন্ড পর প্রসারণের হার এমনকি লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ কম হত, তাহলে বর্তমানের আয়তনে পৌছানাের আগেই ব্রহ্মাণ্ড পুনঃসংকোচনে ধ্বংস হয়ে যেত।”


 ব্রহ্মাণ্ডের সব পদার্থ, পরমাণু, শক্তি নিখুত Laws -নিয়ম মেনে চলে। নিয়ামকহীন এইসব নিখুঁত গাণিতিক নিয়মগুলি কেবল বিস্ফোরণ আর বিশৃঙ্খলার চেয়ে কি বেশি কিছুর প্রমাণ উপস্থাপন করছে না? কমিক ডিজাইনারের কসমিক ডিজাইন, বলেছেন জ্যোতির্বিদ পল ডেভিস।

Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline