Page

Follow

মহাবিশ্বের উদ্ভব দুর্ঘটনা না সুপরিকল্পনা? রহস্যভরা একমহাবিশ্ব PAGE-27

  রহস্যভরা একমহাবিশ্ব 

PAGE-27





"In the mind of every thinking person there is set aside a special room, a museums of wonders. Everytime we enter that museum we find our attention gripped by marvel number one, this strange universe, in which we live and may have our being."

– জন.এ. হুইলার



রাতের আকাশের দিকে তাকান। দিগন্ত জোড়া গম্বুজ, অনন্ত রহস্য। হাজার হাজার বছর ধরে তারা-ভরা নিঃসীম আকাশের দিকে তাকিয়ে মানুষ বিস্মিত হয়েছে। 



পরিষ্কার রাত্রে আঁধারময় আকাশের চন্দ্রাতপে খচিত তারাগুলি মণি-মুক্তার মতাে জ্বল জ্বল করতে থাকে। পূর্ণিমার চন্দ্রালােক সমগ্র ভুবনকে স্নান করায় এর নিজস্ব একরুপালি সৌন্দর্যে।


 অমিত-প্রভ সূর্যের কিরণে উদ্ভাসিত হয় দিগ্  দিগন্ত, প্রকাশিত হয় মহাশূন্যে ভাসমান এই পৃথিবী গ্রহে জীব-বৈচিত্র্য। যাঁরা চিন্তাশীল, তাঁরা প্রায়ই আশ্চর্য হয়ে ভাবেন, “ঐ নিঃসীম মহাশূন্যে, ঐ আকাশের অন্তরালে কি রয়েছে? 


মহাবিশ্বে কিভাবে সব কিছু সুবিন্যস্ত রয়েছে? সব কিছু সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিভাবে? কিভাবে এসবের শুরু হয়েছে, আমরা কি তা অনুসন্ধান করে বের করতে পারি না? 


কে এইসব অদ্ভুত, অপূর্ব বৈচিত্র্যরাজির শিল্প-স্রষ্টা, রূপকার?”মানুষের মন মহাবিস্ময়কর এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জটিলতা ও বিশালতায় অভিভূত হয়ে পড়ে।


ধর্মগ্রন্থ বা শাস্ত্রের পরিধির বাইরে গিয়ে ভয়, বিস্ময়, সংস্কার হতে মুক্ত থেকে যুক্তিসম্মতভাবে এই মহাপ্রশ্নটির উত্তর খুঁজতে এগিয়ে এসেছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের কসমােলজি বা বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্ব চেষ্টা করেছে এ-বিষয়ে আলােকপাত করতে। 


বড় বড় মানমন্দির থেকে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে অবিরত, মহাকাশেও পাঠানাে হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির দূরবীন—যেমন হাল্স টেলিস্কোপ, মাইক্রোওয়েভ টেলিস্কোপ, জাপানের সুবারিত ইনফ্রারেড টেলিস্কোপ। 


এগিয়ে এসেছেন পদার্থবিদরা , তত্ত্ববিদরা  (Theorists)।

এই মহাপ্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ১৯২৭-এ বেলজিয়ামের পুরােহিত জর্জেস লেমায়েতর  অবতারণা করেন মহাবিস্ফোরণ মতবাদ বা বিগ ব্যাং থিওরীর প্রাথমিক মূলতত্ত্বের (Theory of the Primaevalatom) রূপরেখার। 


তখন তিনিও বুঝতে পারেননি এই তত্ত্ব আধুনিক কসমােলজিস্টদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে। ১৯৪৮ -এ জর্জ গ্যামাে ঐ তত্ত্বকে বিস্তৃত করে উপস্থাপন করলেন বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ মতবাদের! 


একের পর এক বিজ্ঞানী এই তত্ত্বকে যুক্তিগ্রাহ্য রূপ দিতে লিখে ফেললেন একটির পর একটি বই। যেমন স্টিফেন উইনবার্গএর ‘দি ফাষ্ট থ্রি মিনিটস’, স্টিফেন হকিং ও জি. এফ. আর. এলিসের ‘দি লার্জ স্কেল স্ট্রাকচার অব স্পেস-টাইম’, হকিং -এর ‘আ ব্রীফ হিস্ট্রি অব টাইম’ ইত্যাদি।


 বর্তমানে সারা পৃথিবীর স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে এই মহাবিস্ফোরণ মতবাদকে বিশ্বব্রহ্মান্ডের উৎপত্তির কারণ হিসাবে পাঠ্য বইয়ে পড়ানাে হচ্ছে।

Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline