Page

Follow

বিজ্ঞানের যুগে বিশ্বসভ্যতা || বিজ্ঞানী আইনস্টাইন (সর্বশ্রেস্ট বিজ্ঞানী ) ||মানবধ্বংসের সেরা অস্ত্র যুদ্ধাভিলাষী নেতাকে||PAGE-15

 বিজ্ঞানী আইনস্টাইন: (সর্বশ্রেস্ট বিজ্ঞানী )
মানবধ্বংসের সেরা অস্ত্র যুদ্ধাভিলাষী নেতাকে 

PAGE-15


১৯০৫ সালটি আনাস মিরাকুলাস’ (Miraculous year) আইনস্টা ইনের জীবনে। এইবছরেই তাঁর আবিষ্কার E= mc2 সমীকরণ, আপেক্ষিকতার তত্ত্ব। এবছরই তার পেশ করা পাঁচটি সেমিনাল পেপার স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি এবং পরবর্তীতে কোয়ান্টাম মেকানিক তত্ত্বের জন্ম দেয়।

 সেই ঘটনা স্মরণীয় করে রাখতে ২০০৫ সালকে পদার্থবিদ্যার শতবর্ষ রূপে পালন করেছে রাষ্ট্রসংঘ।


 **কিন্তু আইনস্টাইনের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার যে শক্তি মানব জাতির কাছে এনে দিল পরমাণু শক্তি, তার অপপ্রয়ােগ রােখার জন্য কি ভেবেছিলেন আইনস্টাইন? 


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতি হলেই যে মানুষ যথার্থ সভ্য  হতে পারে না, আইনস্টাইন নিজ জীবনেই প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তাঁর জীবদ্দশাতেই দু’দুটো বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয় (১৯১৪,১৯৩৯)। 

এই দুটি বিশ্বযুদ্ধেই মানব হত্যায় প্রযুক্তি ব্যাপক প্রয়ােগ হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরমাণু ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে মানুষ। পৃথিবীর প্রথম পরমাণু বােমা তৈরীতে তার দায়িত্ব এড়াতে পারবেন না আইনস্টাইন। 


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ১৯৩৯-এর আগস্টে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে আইনস্টাইন লেখেন “In the course of the last four months it has been made probable through the work of Juli of France as well as Fermi and Szilard in America -- that it may become possible to set up nuclear chain reactions in a large mass of uranium, by which vast amounts of power and large quantities of new uranium--like elements would be generated. 

Now it appears almost certain that this could be achieved in the immediate future. This new phenomenon would also lead to the construction of bombs and it is conceivable, though much less certain that extremely powerful bombs of this type may thus be constructed."


পৃথিবীর একজন রাষ্ট্রনেতাকে একজন বিজ্ঞানী এইভাবে ধ্বংসাত্মক শক্তি তুলে দিচ্ছেন; এর পরিণতি মানবজাতির পক্ষে যে আত্মঘাতী হতে পারে, পরে বুঝেছিলেন আইনস্টাইন।


 জার্মানি  পরমাণু বােমা তৈরী করতে চলেছে ভেবে তিনি রুজভেল্টকে পরমাণু শক্তি সম্বন্ধে অবহিত করেন। কিন্তু পরে তিনি একে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল বলে স্বীকার করেন। 


তাঁর ভুলের মাশুল ইতিমধ্যেই গুণছে জাপান। প্রতীক্ষারত অবশিষ্ট বিশ্ব। তৈরী রয়েছে হাজার হাজার নিউক্লিয়র ওয়ারহেড-সম্পন্ন মিসাইল। তৈরী হচ্ছে অ্যান্টিম্যাটার বােমা। ভবিষ্যৎ ধ্বংসযজ্ঞ কেমন হবে? পূর্ণ বিনাশ। চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ হবে তীর ধনুক আর লাঠি নিয়ে বলেছিলেন আইনস্টাইন।


Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline