Page

Follow

প্যারাডাইম-শিফট চাই ভিন্নতর কোন পদ্ধতি। Page-128

  প্যারাডাইম-শিফট  চাই ভিন্নতর কোন পদ্ধতি। 



চেতনা জড়ের থেকে প্রকৃতিগতভাবে বিপরীত। বৈদিক জ্ঞানভান্ডারে বয়েছে এই চেতনপদার্থ সম্বন্ধে জানা, গবেষণা বা অনুসন্ধানের পন্থা-পদ্ধতি, চেতন-কণা (Conscious particles) বা জীবসত্তা (Living entities), তাদের উৎস পরম সত্তা , (Superconscious Being) এবং চেতনার  স্বাভাবিক জগৎ (Conscious world, spiritual world) সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্য। বিশ্বের অসাধারণ

প্রতিভাবান চিন্তাবিদ বিজ্ঞানীরা সেজন্য মানব সভ্যতার উষালগ্ন থেকে বর্তমান জড় ও চেতন উভয় জগতের বিজ্ঞান বৈদিক অধ্যাত্মবিজ্ঞানের শরণাপন্ন হয়েছেন।


‘হােয়াট ইজ লাইফ’নামক ক্লাসিক মনােগ্রাফ-এর লেখক, উপনিষদে আকৃষ্ট বিশ্ববিশ্রুত চিন্তাবিদ বিজ্ঞানী এরভিন শ্রয়েডিংগাব ঃ “আমাদের বিজ্ঞান – গ্রীক বিজ্ঞান কেবল বস্তুজগতের ভিত্তিতে আধারিত...... কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমাদের এই বর্তমানের বস্তুকেন্দ্রিক চিন্তাধারা অবশ্যই সংশােধিত হওয়া প্রয়ােজন, এর মধ্যে সম্ভবতঃ প্রাচ্য চিন্তাধারা থেকে রক্তসঞ্চালন প্রয়ােজন।”


 হেনরি ডেভিড থরাে, উপনিষদের সারাতিসার ভগবদ্গীতা সম্পর্কে :: "In the morning I bathe my intellect in the stupendous and consmogonal philosophy of the Bhagavadgita, in comparison with which our modern world and its literature seem puny and trivial." —অর্থাৎ “প্রভাতে আমি আমার বুদ্ধিকে  ভগবদগীতার মহাবিস্ময়কর ও মহাজাগতিক দর্শনে সম্পৃক্ত করি, যার সাথে তুলনায় আমাদের আধুনিক বিশ্ব ও তার সমগ্র জ্ঞানভান্ডারকে ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ বলে মনে হয়।”


রেডিও অ্যাস্ট্রোমিও অ্যাস্ট্রোফিজিক্স গবেষক , সিগনাস-এ রেডিও নক্ষত্রের আবিষ্কারক, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাকাডেমীর সিনিয়র সায়েনটিস্ট, মৃণাল কুমার দাশগুপ্তঃ “পরমপুরুষ কি? পরমসত্য। সেই সত্যকে বিজ্ঞান মানবে না 

তাে কাকেমানবে? বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য তাে সত্যকে জানা। ধর্মের উদ্দেশ্যও সত্যকে জানা। ... কাজেই বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।



যারা আধ্যাত্মিক জগতের মানুষ  তাঁরাও  সেই পরম সত্যকে জানতে চাইছেন এবং আমার মনে হয়, তাঁরা  অনেকটা এগিয়ে আছেন”।"... পশ্চিমী বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় অনেক উন্নতি করেছেন, কোন সন্দেহ নেই; কিন্তু তাদের মনে শান্তিকোথায় ? সন্দেহ অশান্তি দুঃখ তাদের কুরে কুরে খাচ্ছে। তাই শান্তির খোঁজে তাঁরা  আমাদের বেদ ও উপনিষদের দিকে ঝুঁকছেন। ........আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমাদের এই ভারতই একদিন বিশ্বে শান্তির পথ দেখাবে।” – বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ঈশ্বর, শ্রীভূমি ।



আমরা কূপমন্ডুক — কুয়াের ব্যাঙের গল্প জানি ঃ আটলান্টিক মহাসাগর থেকে আসা তার স্বগােত্রকে সে লাফ দিয়ে দেখিয়েছিল আটলান্টিক অত বড় হবে কিনা। তার ক্ষুদ্র গন্ডিবদ্ধ ধারনায় আটলান্টিকের ব্যপ্তি প্রবেশ করানাে সাধ্যাতীত। তেমনি জড়াবিষ্ট বিজ্ঞানীর মনে অনন্ত অসীম চিন্ময় জগত, শাশ্বত চিন্ময় জীবসত্তাসমূহ এবং উভয়ের উৎস পরম চেতন দিব্য শাশ্বত ব্যক্তিত্ব সম্বন্ধে ধারণা সৃষ্টি অতি দুরূহ;এজন্য বর্তমান বিজ্ঞানের বস্তুকেন্দ্রিক প্রসিডিউরস ও মেথডােলজি সংশােধিত হওয়া প্রয়ােজন, প্রয়ােজন প্যারাডাইম শিফট-এর, নতুন প্যারাডাইমের, যার ফলে জানার পরিধি পেরােতে পারবে জড়ের গন্ডি।



জড় ও চেতন বিপরীত ধর্মী। জড় অচেতন, সেখানে নেই চেতনার বিচ্ছুরিত কিরণপ্রভা। জড় পরিবর্তনশীল, ধ্বংসশীল, চেতন পদার্থ অপরিবর্তনীয়, অবিনশ্বর। দুই পদার্থকে জানার জন্য রয়েছে দুরকম বিদ্যা : জড়বিদ্যা ও পরাবিদ্যা। 





অপরবিদ্যা(Inferior knowledge)পরাবিদ্যা(Superior knowledge)
1.জড় জ্ঞান, জড় জাগতিক জ্ঞান।



2.স্থুল ও সূক্ষ্ম জড় পদার্থের জ্ঞান।



3.জড় ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত।



 4.জড় জ্ঞানে যতই ডিগ্রী লাভ হোক
 অন্তকরণ থেকে যায় অশুদ্ধ জড়
কলুষে আচ্ছাদিত।
1.চিন্ময় অপ্রাকৃত জ্ঞান।।

2.চেতন জীবসত্তা, চিন্ময় জীবন,
 নিত্যচিন্ময় জগৎ এবং ভগবান
সম্বন্ধীয় জ্ঞান।।


3.যোগ, ধ্যান ও ভক্তিযুক্ত সেবার
মাধ্যমে অনুভূত।


4.অন্তঃকরণ সম্পূর্ণ শুদ্ধ,
 নির্মল হয়ে ওঠে, জড় রােগমুক্ত
জীবসত্তাপ্রকৃত সুখ, আনন্দ
আস্বাদন করতে পারে।
Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline