Adsterra 7

 

Follow

বৈদিক শাস্ত্রের বিস্ময়কর তথ্য-উন্নত সভ্যতার অভ্রান্ত প্রমাণ।|| Page-118


বৈদিক শাস্ত্রের বিস্ময়কর তথ্য-উন্নত সভ্যতার অভ্রান্ত প্রমাণ। 



• পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা পরমাণু (অন্তরস্থৎ পরমাণুচয়ান্তরস্থং–ব্রহ্মসংহিতা ৫/)


 • সেকেন্ডের দশ হাজার ভাগের এক ভাগ থেকে ব্রহ্মান্ডেব পূর্ণ স্থায়িত্বের সময়। 


 **গ্রহদের আয়তন, নিখুঁত আবর্তন পথ, নক্ষত্রদের বর্ণনা (এখনাে মানুষ বৈদিক

জ্যোতির্বিদ্যা অনুযায়ী রচিত পঞ্জিকা ব্যবহার করছে)।


 • প্রজাতির মােট সংখ্যা – 8.4X10^6 (অর্থাৎ 84 লক্ষ) 


• সঙ্গীত, চিকিৎসাবিজ্ঞান, শিল্পকলা, রাজনীতি, স্থাপত্যশিল্প, যুদ্ধবিদ্যা এবং মনস্তত্ত্ব বিজ্ঞান সম্বন্ধে নিখুঁত ও বিজ্ঞানসম্মত তথ্য।। 


• মহাভারতে ইন্দ্রপ্রস্থে যুধিষ্ঠিরের রাজসভার অনবদ্য বর্ণনা রয়েছে – যা এক অনন্য ও সুউন্নত সভ্যতার নিদর্শন। 


• আত্মা-পরমাত্মা-ভগবান-দেহান্তর, জগৎসৃষ্টি ও ধ্বংস সম্বন্ধে পূর্ণাঙ্গ তথ্য। 


• ওপেনহাইমার, আইনস্টাইন, শােপেনহাওয়ার, কান্ট, হেগেল এমারসন, থরাে, সােয়াইজার, এরভিন শ্রয়েডিংগার, টয়েনবি, টি-এস-এলিয়ট,ইয়ে প্রমুখ বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক, চিন্তাবিদ, দার্শনিকেরা গভীর আগ্রহে বৈদিক গ্রন্থ পাঠ করেছেন। 


• বিখ্যাত দক্ষিণ ভারতীয় স্বল্পায়ু গণিতবিদ, রামানুজম, বিশ্বের গণিতবিদদের দ্বারা অস-মাধিত একটি আংকিক সমস্যার বৈদিক গণিতবিদ্যার সাহায্যে দুটি সমাধান দেন।


 • ১ থেকে ১০০ সংখ্যা ও তাদের গুণিতক, ক্যালকুলাস জাতীয় আংকিক সমাধান। 

• পৃথিবী, ব্রহ্মান্ড ও মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে অভ্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণী।

 বৈদিক শাস্ত্র অনুসারে সভ্যতা চক্রাকারে আবর্তিত হয় —উন্নত সভ্য অবস্থা থেকে অসভ্যতার দিকে পুনরায় আবার উন্নত, সভ্য অবস্থা থেকে হীনতর অবস্থার দিকে। একে বলা হয় যুগ-চক্র। যুগচক্র এইরকম ?


সত্যযুগ – 1,728,000 বছর 

ক্রেতাযুগ – 1,296,000 বছর 

দ্বাপরযুগ - 864,000 বছর।

কলিযুগ – 432,000 বছর। 


চারটি যুগকে বলা হয় চতুর্যগ; এক চতুর্যগ 4,320,000 বছর এইরকম 1000 চতুর্যগে এক কল্প;বৈদিকশাস্ত্র অনুসারে এই ব্রহ্মান্ডের এই পর্যন্ত সময় অতিবাহিত হয়েছে।

155.522x10^12 বছর। ব্রহ্মান্ড ধ্বংস হবে –155.518x10^12 বছর পর। অর্থাৎ - এম ব্রহ্মান্ডের  স্থায়িত্ব '155.518 ট্রিলিয়ন 20 বিলিয়ন বছর; অর্থাৎ '155518 40,000,000  বছর , প্রসঙ্গত , গণনা পদ্ধতি কয়েক হাজার বছরে উদ্ভাবিত বলে যে প্রচার চলে, বৈদিক হিসাব অনুযায়ী দশের গুণিতকে কোটি, অর্বুদ, পরার্ধ পর্যন্ত গণণা পদ্ধতি তাকে নস্যাৎ করার জন্য পর্যাপ্ত ।



পিথাগােরাস থিওরেমের আবিষ্কারক বলে সুবিদিত। কিন্তু বিখ্যাত ফরাসী দার্শনিক ভলটেয়ারের মতে, “পিথাগােরাস গাঙ্গেয় দেশে গিয়েছিলেন অংক শেখার জন্য ” (“Pythagogas went to the Ganges to learn Geometry*)। প্রামাণিক গ্রন্থ

"History of Mathematics” -এ  আব্রাহাম সিডেনবার্গ লিখেছেন যে বৈদিক গণিতের সুল্বসূত্র  প্রাচীন বিশ্বের ব্যাবিলােনিয়া থেকে মিশর, গ্রীস-এর সমগ্র গণিতকে প্রভাবিত করেছে।


 গ্রীক গণিতবিদ পিথাগােরাস বর্ণিত থিওরেম বৈদিক শতপথ ব্রাহ্মণ ও সুল্ব -সূত্রে পাওয়া যায়। এইসব গ্রন্থ পিথাগােরাসের জন্মের কয়েক শতাব্দী আগে লেখা হয়েছিল ; কিন্তু তার আগে এই বিজ্ঞান ছিল না এমন নয়। বৈদিক সমগ্র জ্ঞানভান্ডার আগে শ্রুতি হিসাবে বাহিত হত; মেধা হ্রাসের ফলে সব লিপিবদ্ধ হয়েছে। কমপিউটারে ব্যবহৃত বাইনারিনাম্বার-এর সমতুল সংখ্যা পদ্ধতি বৈদিক কাব্যছন্দের গ্রাফিক্সে ব্যবহৃত হয়েছে।** ৩২টি অনবদ্য সংস্কৃত কাব্যিক ছন্দও সভ্যতার উৎকর্ষের পরিচায়ক।


তাহলে আর্যদের ভারত আগমনতত্ত্বের কি হবে ?

মাত্র এক শতাব্দী আগে ইংরেজ ইতিহাসবিদদের কাছ থেকে মেকলের ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষানীতির থেকে প্রসবিত ‘শিক্ষিত’ ভারতীয়রা অবাক বিস্ময়ে শুনেছিল যে ঋষি-মুনি, অসংখ্য রাজা-মহারাজাদের দেশ এই সুপ্রাচীন ভারতবর্ষে সমস্ত শাস্ত্র-বেদ-পুরাণ মিথ্যায় ভর্তি। সাহেবদের গাে-রক্ত সুরাতে নিস্নাত মস্তিষ্কে নূতন জ্ঞান জন্মেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে আর্যরা’ বাহির হইতে আসিয়াছে মাত্র আট হাজার বছর আগে। পশ্চিমীদের কাছ থেকে ডিগ্রী  নিতে উৎসাহী বেশ কিছু ভারতীয় প্রতিক্রিয়াশীল ঐতিহাসিক এই অনুমানকে লুফে নিয়েছেন, যদিও বহু ভারতীয় ঐতিহাসিক একে নস্যাৎ করেছেন। ইতিহাসের পাঠ্য বইতেই এখনাে লেখা রয়েছে এই তত্ত্ব আনুমানিক।। 

অত্যাধুনিক জেনেটিক রিসার্চ এই আর্য’-আগমনের মিথকে বিধ্বস্ত করেছে। ২০ এর ১২ই জানুয়ারী দি টেলিগ্রাফ কোলকাতা সহ আন্তর্জাতিক গবেষকদের কয়েক বছর ব্যাপী ব্যাপক গবেষণার ফল প্রকাশ করে, শিরােনামে রয়েছে – “আর্য-প্রভাবের মিথ ভেঙে  পড়ছে। রিপাের্ট অনুযায়ী, উপমহাদেশের ৭০-৮০টি জাতি গােষ্ঠীর প্রায় এক হাজার মানুষের  জিনের ডি.এন এ গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, অন্ততঃ ৬০ হাজার বছরের মধ্যে আর্যদের ভারতের আসার কোনাে প্রমাণ নেই। ভারতীয়েরা ছিল ভারতেই।

 প্রসঙ্গতঃ, শাস্ত্র অনুসারে আর্য শব্দটি আদৌ জাতি বাচক নয়; সংস্কৃতিবান, ধার্মিক, সদাচারী যেকোন মানুষকে আর্য বলা হত। শাস্ত্র অভ্রান্ত, জল্পনা পরিবর্তনশীল। জেনেটিক রিসার্চ ভেঙে দিল ঐতিহাসিকদের কল্পনা। অবশ্য, মানুষের গবেষণা, অনুমানেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ইন্দ্রিয়গুলির ক্ষমতা অসীম নয়, শাশ্বত বাস্তবতাকে ধরার যন্ত্র নয় এগুলি ;এগুলি কেবল কিছু স্থুল  জড়ীয় তথ্য বা ডেটা সংগ্রাহক। পক্ষান্তরে অপৌরুষেয় বৈদিক জ্ঞান মানবীয় জল্পনা-কল্পনার অতীত।। কোটি কোটি বছরে সভ্যতা আধুনিক মানুষের সীমিত ইন্দ্রিয়ে কয়েক হাজার বছরের বলে প্রতিভাত হয়েছে। কিছু ইটের ভগ্নাংশ পরীক্ষা করে সুমহান মানব সভ্যতার পূর্ণ প্রতিচ্ছবি আঁকা সম্ভব কি?


Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Popular Posts

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION