Page

Follow

নাস্তিক বিবর্তনবাদ ডারউইন চোখের জটিলতা দেখে হতবাক ,স্বীকার করলেন চোখের নিশ্চয় পূর্বনির্ধারিত কোনো একজন ডিজাইনার ছিল || Page-109

 

নাস্তিক বিবর্তনবাদ ডারউইন চোখের জটিলতা দেখে হতবাক ,স্বীকার করলেন চোখের নিশ্চয় পূর্বনির্ধারিত কোনো একজন ডিজাইনার ছিল 



“চোখ আমাকে শীতল কাঁপুনী দেয়”ঃ ডারউইন। 

“The eye gives me cold shudder; ”বলেছিলেন ডারউইন। অর্থাৎ জটিল ক্যামেরা চোখের আপনা থেকে উদ্ভবের কথা চিন্তা করলে ভয়ে তাঁর মেরুদন্ড দিয়ে বয়ে যায় শীতল স্পন্দন। এখানে ডিজাইনিং এতই সুস্পষ্ট, তীব্র, তীক্ষ - যে তা অস্বীকার করা কোন সুস্থমস্তিষ্ক বুদ্ধিশীল মানুষের পক্ষে অসম্ভব। তবুও নাস্তিকতার ফ্যানাটিসিজম মানুষকে অবিশ্বাস্যকেই বিশ্বাস করতে প্রণােদিত করে। কিন্তু তা সত্তেও খােদ ডারউইনও পারেননি চোখে প্রাযুক্তিক বিস্ময়কে অস্বীকার করতে, যদিও তখন চোখ সম্বন্ধে প্রকাশিত হয়নি এত তথ্য।


 চোখ সম্বন্ধে চার্লস ডারউইনঃ “আমি অকপটে স্বীকার করছি



....... চোখ ক্যামেরার অকল্পনীয় প্রযুক্তিগত সূক্ষ্মতায় বিস্মিত হয়েছিলেন বিবর্তন তত্ত্বেরসষ্টা স্বয়ং ডারউইন। অভিযােজন’ ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন’ ইত্যাদির মাধ্যমে, কোন বুদ্ধিমত্তা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ক্যামেরাটির উদ্ভব কি আদৌ সম্ভব? এই ধরনের অনুমান সম্পূর্ণ উদ্ভট, অবাস্তব, কনফেস’করেছেন ডারউইন নিজেই, তাঁর দি অরিজিন বইয়েঃ 

"To suppose that the eye, with all its inimitable contrivances for adjusting the focus to different distances, for admitting different amounts of light, and for the correction of spherical and chromatic aberrations, could have been formed by natural selection, seems, I freely confess, absurd in the highest degree."


“বিভিন্ন দূরত্বে ফোকাস স্থির করা, বিভিন্ন মাত্রায় আলােক রশ্মির প্রবেশের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা, স্থানগত (স্ফেরিক্যাল) ও বর্ণ বা রঙগত (ক্রোমাটিক) ত্রুটিসমূহ সংশােধন করা প্রভৃতির জন্য যে অননুকরণীয় কলাকৌশলসমূহ চোখে সন্নিবেশিত হয়েছে, সেই চোখ যে কেবল প্রাকৃতিক নির্বাচনের ধারায় (ন্যাচারাল সিলেকশান) আপনা থেকেই গঠিত হয়ে যেতে পারে, এমন অনুমান, আমি অকপটে স্বীকার করছি, চরম মাত্রায় উদ্ভট (অ্যাবসার্ড)।”


লক্ষ করুন, ডারউইন এখানে কনফেস কথাটি ব্যবহার করেছেন। কোন দোষ বা পাপ স্বীকারকে বলা হয় কনফেশান, যা খ্রীষ্টানরা চার্চে গিয়ে ভগবানের কাছে করে থাকে – দোষ কবুল । ডারউইন তাঁর বিবর্তন তত্ত্ব নামক মিথ্যা অনুমানের সাতকাহন দিয়ে যে অনাবৃত সত্যকে আবৃত করেছিলেন, সে সম্বন্ধে অবহিত ছিলেন তিনি নিজেই। চোখ ‘প্রাকৃতিক নির্বাচনে স্বয়ংক্রিয় ভাবে গঠিত হতে পারে না – তিনি কনফেশান, স্বীকারােক্তি দিলেন। তাহলে শরীরের ডি.এন-এ ব্লুপ্রিন্ট, ইলেকট্রিসিটিতে চলা হার্ট, নিউরােন-সেন্সর সম্বন্ধে তিনি কি বলবেন?মিনিটে ১০ কোটি কোষে রেপ্লিকেশন বা প্রতিলিপি তৈরীর মাধ্যমে বিলিয়ন  বিলিয়ন নিখুঁত ডিএন.এ জেরক্স কপি তৈরীর মেকানিজম সম্বন্ধে তিনি কি বলবেন? সবই। তাে; তার ভাষায়, ইনইমিটেবল’, অননুকরণীয়?

এই ভাবে অজান্তে নিজেরই রচিত কল্প-নাটকে যবনিকাপাত ঘটিয়েছেন নাটকের পুরােধাপুরুষ নিজেই।




কমপিউটার গাছ থেকে পড়েনি। একটি ফলও আপনা থেকে হয়ে যায় নি। গাছ-মেশিন থেকে ফল—বুদ্ধিযুক্ত পরিকল্পনার ফল।



Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline