ছােট্ট কণায় বিরাট দৈত্য বিশ্বের অন্যতম উঁচু এই দৈত্যাকার গাছ, সিকোইয়া|| Page-104

  ছােট্ট কণায় বিরাট দৈত্য বিশ্বের অন্যতম উঁচু এই দৈত্যাকার গাছ, সিকোইয়া,


ছােট্ট কণায় বিরাট দৈত্য বিশ্বের অন্যতম উঁচু এই দৈত্যাকার গাছ, সিকোইয়া,

 প্রচুর পরিমাণে আমেরিকা মহাদেশে জন্মায়। উচ্চতায় প্রায় ৩২০ ফুট পর্যন্ত হয়, গােড়ার পরিধি ৩৬ ফুট পর্যন্ত হয়। বনের মধ্যে দিয়ে সড়ক করতে গিয়ে গাছের মধ্যে বর্গাকৃতি করে কেটে পথ তৈরীরও নজির রয়েছে। একটি গাছের কাঠ থেকে পাঁচটি কক্ষযুক্ত ৫০ টি কাঠের বাড়ী তৈরী করা যায়। এর বাইরের বাকল ২ ফুট পুরু, তাতে বিশেষ গন্ধযুক্ত রাসায়নিক থাকে, যাতে কীটপােকা ক্ষতি করতে না পারে, এবং এর বিশেষ তন্তুযুক্ত গঠন একে অ্যাসবেস্টসের মত অগ্নিরােধক করে। একটি গাছের শিকড় চার একর পর্যন্ত জমিতে বিস্তৃত হয় এবং এটি বাঁচে প্রায় ৩০০০ বছর।



ক্ষুদ্রকায় মানুষ সুবিশাল এই মহীরুহের পাদদেশে দাঁড়িয়ে উৰ্দ্ধদৃষ্টিতে এই জৈব অস্তিত্বের বিপুল, মহিমময় দৃশ্যে কেবল বিস্ময়ে সম্রমে নির্বাক হয়ে থাকতে পারে।

কিন্তু এই আশ্চর্য সৃষ্টিটি কোথায় লুকানাে ছিল – এর উৎস কি? আলপিনের মাথার চেয়ে ক্ষুদ্র একটি বীজের মধ্যে ছিল এর গ্রান্ড ডিজাইন – ব্লপ্রিন্ট। 


বীজটির গায়ে সিলিয়া লাগানাে থাকে, ফলে এটি বাতাসে ভেসে মা-গাছ থেকে দূরে যেতে পারে। এই হাল্কা বীজে ৩২০ ফুট উঁচু, ৩৬ ফুট বেড়, ২০০০ বছরের আয়ু, প্রতিটি গাছ থেকে প্রতিবছর এমন লক্ষ লক্ষ বীজ তৈরী, প্রতিটি বীজ থেকে একইরকম ভাবে কোটি কোটি বছর বংশধর রক্ষা গ্রান্ড ডিজাইনিং প্রসুপ্ত রয়েছে – কোন ইনটেলিজেন্ট প্লানিং ছাড়াই, আপনা থেকে এটি কি সম্ভব ? এমন ক্ষুদ্র বস্তু থেকে এমন মহিমময় বিস্ময় সৃষ্টি পৃথিবীর সমস্ত মানুষের সন্মিলিত বুদ্ধিমত্তা দ্বারাও কি সম্ভব?

Click Here >>>Subscribe






Comments

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner