Adsterra 7

 

Follow

বিজ্ঞানের যুগে বিশ্বসভ্যতা || বিজ্ঞানের যুগে বিশ্ব || আমাদের বিশ্ব কতখানি নিরাপদ || Page-1

 

বিজ্ঞানের যুগে বিশ্বসভ্যতা  : বিজ্ঞানের যুগে বিশ্ব । আমাদের বিশ্ব কতখানি নিরাপদ  ?

PAGE-1

নিঃসীম নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে ভারতের কিশােরী বিজ্ঞানী মেয়ে কল্পনা চাওলার স্বপ্ন ডানা মেলত রঙীন প্রজাপতি হয়ে একদিন অত্যাধুনিক স্পেসক্রাফটের ভেলায় চেপে নভঃনীলে ভেসে পড়েছে সে...... অসীম রহস্যময় আকাশ-পারাবারের প্রান্তে প্রান্তে চলেছে। তার রােমাঞ্চভরা অভিযান, অজানাকে জানার, অদেখাকে দেখার। একদিন হয়তাে দূরলােকের কোন গ্রহে কোন এক স্বর্ণালী ক্ষণে নতুন মহার্ঘ কিছু আবিষ্কার করে ‘ইউরেকা’ বলে উচ্চকিত করবে  সে । হয়ে উঠবে সে-সিসিলির আর্কিমিডিসের মতাে ,বিশ্বকে উপহার দেবে অনন্য কোন উদ্ভাবনা!

অনন্ত অজানাকে জানার পরিধিতে আনা, আর নতুন নতুন আবিষ্কারের নেশা জন্ম দিয়েছে জড়বিজ্ঞানের। আর বর্তমানে বিজ্ঞানের নতুন নতুন উদ্ভাবনায় বিস্ময়-বিমুগ্ধ মানুষ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই এখন সভ্যতার উন্নতির মানের নির্ধারক। মােটরগাড়ী, রেল, বিমান, মহাকাশযান, দূরদর্শন, কমপিউটার, মােবাইল প্রভৃতির পর মানুষ প্রতীক্ষা করছে আরাে নতুন নতুন কিছুর। অসংখ্য প্রতিশ্রুতি রাখছে বিজ্ঞান ও জীবনকে আরাে সহজ, সুন্দর করে তােলার জন্য একের পর এক বিচিত্র সব পসরা নিয়ে সে উপস্থিত হচ্ছে। এজন্য বিজ্ঞানীদের ক্লান্তিহীন প্রয়াস অব্যাহত। ভবিষ্যৎ আবিষ্কারগুলির দিকে তাকিয়ে আছে সারা বিশ্ব।।

বিজ্ঞানের কিছু ভবিষ্যৎ বিস্ময় হাইপারসােনিক জেট প্লেন।

‘পার আড়ুয়া অস্ট্রা’- ‘অর্থাৎনক্ষত্রলােকে অভিযাত্রা’ যেন বিমান শিল্প সংস্থার স্বপ্ন, আর স্বপ্নদ্রষ্টারা এখন তাদের মন্ত্র ‘ফ্লাই হাইয়ার ফ্লাই ফাস্টার’-এর চূড়ান্ত রূপ দিতে তৈরী করতে চলেছে এমন ফ্লাইং মেশিন, যা হবে শব্দের গতিবেগের চেয়ে পাঁচ থেকে দশগুণ দ্রুতগামী (ম্যাক- 5 – ম্যাক -10)। সাধারণ বিমানগুলি সাবসােনিকঃ শব্দের গতির (ঘন্টায় ১২০০ কি.মি. বা ম্যাক -১ ) পরিধির মধ্যে এর গতি। শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী সুপারসোনিক  বিমান দেখেছে বিশ্ববাসী। এখন বিমান নির্মাণ সংস্থা ও মহাকাশ সংস্থা নাসার যৌথ উদ্যোগে ডিজাইন করা হচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিমানের, যা হবে হাইপারসােনিক। যার অর্থ, দিল্লি থেকে এই ধমনি যাত্রী নিয়ে নিউইয়র্ক (১১,৭৫০ কিমি) পৌছাতে সময় নেবে দেড় ঘন্টা,  স দিল্লী থেকে সিঙ্গাপুরে পৌঁছতে সময় নেবে মাত্র  ৩০ মিনিট। হাইপারসোনিক  শ্রেণীর এই বিমানে জাপানের

টোকিও থেকে নেউয়র্কে ডেইলী প্যাসেঞ্জারী করতে পারবে জাপানবাসী—কেননা সময় লাগবে মাত্র দু’থন্টা। 

সাব-অরবিটাল ফ্লাইট

অনেক জেটকেও পিছনে ফেলে দেবে এই উড়ান ব্যবস্থা। মার্কিন মহাকাশ ফেরিযান। কলম্বিয়া বা চ্যালেঞ্জারের আদলে করা হচ্ছে এর ডিজাইন। যাত্রী নিয়ে বিমানেরমত  বায়ুতে ১০-১২ কিলােমিটার উপরেউঠবে। 





তারপর এর রকেট ইঞ্জিন চালু হবে, দ্রুত এটি প্রবেশ করবে মহাকাশে; ভূপৃষ্ঠের ১০০ কিমি উপর দিয়ে বায়ুশূন্য পরিবেশে ঘন্টায় ১০-১৫ হাজার কিমি বা তারও বেশি গতিতে ছুটে যাবে গন্তব্যে (রকেটের গতি ঘন্টায় ২৫ হাজার কিমি), তারপর বিমানের মতােই নামবে রানওয়েতে। এইভাবে কোলকাতা থেকে দিল্লী পৌঁছাতে সময় লাগবে খুব বেশি হলে ১৫ মিনিট। ইতিমধ্যেই সাব-অরবিটাল বিমানের পরীক্ষামূলক মডেল পরীক্ষা করেছে রাশিয়া। 



হাইপারসােনিক ম্যাগনেটিক ট্রেন।

সকালে লন্ডনে প্রাতরাশ সেরে আটলান্টিক মহাসাগর পার হয়ে নিউইয়র্কে গিয়ে অফিস ওয়ার্ক করে বিকালে আবার লন্ডনে ফিরে বন্ধুর জন্মদিনে উপহার নিয়ে উপস্থিত হলে কেমন হতে পারে? তাও ট্রেনে যাতায়াত করে? ভবিষ্যতের বিশ্বনাগরিকরা কি এইভাবে একমহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে ডেলিপ্যাসেঞ্জারী করতে পারবে? 




বিজ্ঞানীদের উচ্চাকাঙ্খপূর্ণ এই হাইপারসােনিক স্পীডের ট্রেনের পরিকল্পনা বেগসন্ধানী মানুষের এই কষ্টকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে চলেছে। জাপান-সহ বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যেই ঘন্টায় ৫০০কিমি গতিবেগ সম্পন্ন হাইস্পীড ম্যাগনেটিক ট্রেন চালাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন আটলান্টিক মহাসাগরের গভীর। তলদেশ দিয়ে একটি বায়ুহীন টানেল তৈরীর , সেটি জলের নিচে কিন্তু সমুদ্রতলের ওপরে কেবলের সাহায্যে ভাসমান থাকবে। রেল লাইন থেকে ৬ ইঞ্চি উঁচু শূন্য দিয়ে চলা (ম্যাগনেটিক ফিল্ডের সাহায্যে) এই ট্রেন লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক ৮ হাজার কিমিপাড়ি দিতে সময় নেবে মাত্র ৫৬ মিনিট ,অর্থাৎ এক ঘন্টাও নয়। 
হাইপারসোনিক গতিতে ছুটে অনায়াসে বিনাক্লেশে জীবিকার সংস্থান করতে পারবে স্পেস-এইজ-এর মানুষ। 


বিজ্ঞান যতটা উন্নত হচ্ছে ,আমাদের পরিবেশ ততটা বিষাক্ত ও দূষিত হচ্ছে ,কোরোনার মতো মহামারী সারা বিশ্বে ছাড়িয়ে পড়ছে ,পৃথিবীর উভয় মেরুতে বরফ গলছে ,অনেক শহরে বায়ু মণ্ডল দূষিত ও বিষাক্ত হয়ে গেছে। এখানে কাউকে ছোট করাহচ্ছে না ,কিন্তু আমাদের ভাবতে হবে পরিবেশের কথা ,প্রতিটি জীবের জীবনের কথা ,কিন্তু আমার পাঠক দের কাছে প্রশ্ন বিজ্ঞান চিন্তা ধারা কে নিয়ে যদি সমাজকল্যানে  কাজে লাগানো হয়  তাহলে কেমন হবে ?
আর একটি প্রশ্নঃ -আমাদের এই উন্নত বিশ্ব কতখানি নিরাপদ ? পাঠক বন্ধুরা যদি আপনারা কমেন্ট এর মাধ্যমে উত্তর দেন ,তাহলে আমি অনেক খুশি হবো ?

Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION