Adsterra 7

         

         

Follow

কোথা থেকে আসে সব পদার্থ Matter শক্তি (Energy )|| Page-184

  কোথা থেকে আসে সব পদার্থ Matter শক্তি (Energy )



২০০৫-এর জুন। লন্ডনের উত্তর-পশ্চিমে ক্যাম নদীর উপর ‘ম্যাথমেটিক্যাল ব্রীজ নামের সেতুটি পেরিয়ে চলেছেন কিছু বিজ্ঞানী, ভগবৎ-তত্ত্ববিদ (theologians) কেমব্রিজের কুইন কলেজে আয়ােজিত বিশেষ একটি সেমিনারে যােগ দিতে।


 উপলক্ষ, ধর্ম ও বিজ্ঞানেব উপর যে জার্নালিজম ফেলােশিপ প্রবর্তন করেছে টেম্পলটন ফাউন্ডেশন ও কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি এই প্রথম বার ১০ জন পাচ্ছেন সেই ফেলােশিপ। তাদের ফেলােশিপ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে, সেই সাথে ভগবান ও বিজ্ঞান নিয়ে হবে সেমিনার। সেমিনারের বক্তাদের মধ্যে যেমন রয়েছেন গোঁড়া নাস্তিক জুওলজিস্ট ডঃ রিচার্ড ডকিন্স, তেমনি পদার্থবিদ ও ধর্মতত্ত্ববিদ বিজ্ঞানী পােকিংহর্ন ।


 আলােচ্য :: ধর্ম ও বিজ্ঞানকে আর ‘অক্সিমােরন হিসাবে রাখা যাচ্ছে না। বিজ্ঞানকে যথার্থই বিজ্ঞান হয়ে উঠতে হলে এবার গোঁড়া নাস্তিকদের দাবী অনুসারে ‘ফ্লাট সায়েন্স’ বা নিরেট জড়বিজ্ঞানের পরিসর ছেড়ে বেরােতে হবে। অতিসূক্ষ্ম গাণিতিক হিসাবের ২০টি কসমােলােজিক্যাল কনস্ট্যান্ট বা মহাজাগতিক ধ্রুবক অভ্রান্ত প্রমাণ দিচ্ছে এক কসমিক ইনটেলিজেন্স-এর, এক মহাজাগতিক বুদ্ধিমত্তার।


 চেতনার সৌকর্য, শিল্প-সৌন্দর্য-নান্দিকতার বােধ, সর্বোপরি অগণিত বহ্বর্ণরূপচিত্রিত ফুলের সমারােহ জড় পদার্থের পরিধি ছাড়িয়ে ভিন্নতর চরিত্রের কোন সত্তার অস্তিত্বের অভ্রান্ত ‘এভিডেন্স’ উপস্থাপন করছে। জড় ও চেতনার যে একটি উৎস ও নিয়ন্তা-শক্তি রয়েছে, সমগ্র মহাজগৎ তার স্বাক্ষর লিপিমালা – অবিসংবাদিত প্রমাণ। 


নিউটন, আইনস্টাইনের মতাে ক্লাসিক বিজ্ঞানী, থরাে, ইমার্সনের মতে চিন্তাবিদ যার কথা বলেছেন বহু পূর্বেই-টাইম-স্পেস-মােশন-গ্রাভিটেশান-ইলেট্রোম্যাগনেটিজম্—এই ম্যাটেরিয়াল ফিনােমেনাএবং কনশাসনেস  বা চেতনা যা জড়ের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে —উভয়ই এক পরা শক্তির, এক পরম বুদ্ধিমত্তার অধীন। সেই মহাশক্তির প্রতি শ্রদ্ধাবনত হয়ে আইনস্টাইন সবিনয়ে বলেন -I try to comprehend an infinitesimal part of intelligence manifest in nature' – “প্রকৃতিতে অভিব্যক্ত বিপুল বুদ্ধিমত্তার অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ-মাত্র আমি উপলব্ধি করার চেষ্টা করছি।”

কে সেই মহাশক্তির অধীশ্বর পরম শক্তিমান, পরম বুদ্ধিমান? কেমন তাঁর ব্যক্তিত্ব?। জড়বিজ্ঞান এর উত্তর খুঁজছে, কিন্তু অধ্যাত্ম-বিজ্ঞানে স্মরণাতীত কাল পূর্বেই দেওয়া হয়েছে উত্তর : আদিত্যবর্ণ অর্থাৎ সূর্যের মতাে জ্যোতির্ময় সনাতন পরমপুরুষ,পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ —তিনিই সমগ্র জড়জগৎ, চিন্ময় জগৎ ও সকল জীবসত্তাসমূহের পরম উৎস, পরম কারণ ও পুরম নিয়ন্তা। এই তথ্য পৃথিবীর সকল শাস্ত্রের ও সমস্ত বৈদিক শাস্ত্রের  সারনির্যাস , সারসত্য। 


যেমন, ব্রহ্মসংহিতায় :::::-----

ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ।।

অনাদিরাদির্গোবিন্দঃ সর্বকারণকারণম্।।


 “পরম ঈশ্বর হচ্ছেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, যিনি গােবিন্দ নামেও অভিহিত হন। তার রূপ সচ্চিদানন্দময় (নিত্য, জ্ঞানময় ও আনন্দময়), তিনি সচ্চিদানন্দবিগ্রহ। তিনি সমস্ত কিছুর পরম উৎস পরম পুরুষ। তিনি অনাদিরও আদি, তাঁর  কোন উৎস নেই, তিনিই সব কিছুর উৎস, তিনি সমস্ত কারণের পরম কারণ।


” ভগবদ্গীতায় (৮.৯)ঃ


কবিং পুরাণম -অনুশাসিতারম । 

অনোরণীয়াংসমনুস্মরেদ  যঃ।।

 সর্বস্য ধাতারম  অচিন্ত্যরূপম 

আদিত্যবর্ণং তমসঃ পরস্তাৎ। 


“সর্বজ্ঞ, সনাতন, নিয়ন্তা, সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর, সকলের বিধাতা, জড় বুদ্ধির অতীত, অচিন্ত্য ও পুরুষ রূপে পরমেশ্বর ভগবানের ধ্যান করা উচিত। তিনি সূর্যের মতাে জ্যোতির্ময় এবং এই জড়া প্রকৃতির অতীত।”



Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Ads Tera-5

         

         

         

Adsterra Social Bar

Popular Posts

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION

Adstera 1