Adsterra 7

 

Follow

ভগবদগীতার চরম সাম্যবাদঃ মৌল পার্থক্য নেই চন্ডাল-ব্রাহ্মণ কুকুর-হাতির মধ্যে |Page-181

  ভগবদগীতার চরম সাম্যবাদঃ মৌল পার্থক্য নেই চন্ডাল-ব্রাহ্মণ কুকুর-হাতির মধ্যে



 শ্রীকৃষ্ণ বিশ্বে সাদা-কালাের বর্ণবিদ্বেষ, শিয়া-সুন্নী লড়াই, নিম্নবর্ণ উচ্চবর্ণ দ্বন্দ্ব মানব সমাজে অনেক রক্ত ঝরায়। ভগবদ্গীতার জ্ঞান বিশ্বে প্রচারিত হলে মুছে ফেলা যায় এই দেহাত্মবুদ্ধি প্রসূত পারস্পরিক কলহ, বিষােদ্গার।

ভগবদগীতায় বলা হয়েছে, প্রতিটি জীব স্বরূপতঃ চিৎ-কণা আত্মা। প্রত্যেক আত্মা মূলগতভাবে সমান শক্তি-গুণ-বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। আত্মার লক্ষণ চেতনা, আর চেতনার জড় কলুষে আচ্ছন্নতার মাত্রা বা চেতনার বিকাশের স্তরের বিভিন্নতা অনুসারে জড়া প্রকৃতি তাদের ভিন্ন ভিন্ন শরীরে রাখে, যেমন গাছ, সিংহ, মানুষ, মাছ।


 কিন্তু এইগুলি পােশাক মাত্র। সকলেই স্বরূপতঃ শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস। নিত্য দাস রূপে জীবেরও শাশ্বত রূপবৈচিত্র্য রয়েছে, কিন্তু জড় রূপগুলি নশ্বর পােশাক মাত্র, বাসাংসি জীর্ণাণি।


 ভগবদগীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেন (৫/১৮) “যারা বিদ্যা ও বিনয়বিশিষ্ট ব্রাহ্মণে এবং চন্ডালে, গরুতে, হস্তীতে ও কুকুরে সমদর্শী, তারাই পন্ডিত।” লক্ষ্য করুন দৃষ্টান্ত হিসাবে কাদের শ্রীকৃষ্ণ সমান দৃষ্টিতে দেখতে বলেছেন ::-- বিদ্যা ও বিনয়সম্পন্ন ব্রহ্মজ্ঞ, জ্ঞানী, পক্ষান্তরে পবিত্রতাবােধহীন চন্ডাল, গরু, হাতী, কুকুর।


 মানুষে মানুষে প্রভেদের তাে কথাই নেই। দেহে আত্ম-বুদ্ধি থেকে যখন কেউ আত্ম-সম্পর্কিত জ্ঞানের স্তর, আত্মােপলব্ধির স্তরে উন্নীত হন, তখন তিনি শুধু মানুষ নন সর্বজীবের মধ্যে একত্ব দর্শন করেন। শ্রীকৃষ্ণ পাঁচ হাজার বছর পূর্বেই চরম সাম্যের এই সূত্র দেন; এই সূত্র কলহ-জর্জর মানবজাতিকে যথার্থ ঐক্যের ভিত্তিভূমিতে নিয়ে আসতে পারে।।

Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Popular Posts

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION