Follow

সালোকসংশ্লেষ বা ফটোসিনথেসিস ,প্রথম ইলেক্ট্রন পরমাণুর আবিষ্কর্তা গাছের পাতা ? Page-97

  প্রথম ইলেক্ট্রন পরমাণুর ।

আবিষ্কর্তা ঃ গাছের পাতা ? 



শুনলে অবাক হতে হয়, কিন্তু পৃথিবীতে সৃষ্টির শুরু থেকে গাছ যেভাবে ইলেক্ট্রন কণাদের ব্যবহার করে চলেছে তাতে যেকোন সময়েই তারা পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রন বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য পেয়ে যেতে পারে নােবেল প্রাইজ। আবার একই সাথে,তার কোয়ান্টাম মেকানিকেরও শিরােপা পাবে।।



কি করে একটি গাছের পাতা ?


 নেহাৎ সাদামাটা মনে হলেও, যে কোন গাছের একটি পাতা একটি আস্ত ল্যাবরেটরী। সূর্যালােকের শক্তিময় ফোটন বা কোয়ান্টাম কণা শােষণ করার জন্য পাতার রয়েছে এক বিশেষ রঞ্জক ক্লোরােফিল-a বা P>700,এবং ক্লোরােফিলb বা P>670নামের দুটি বিশেষ অণু। এই সংগে রয়েছে সাইটোক্রোম-b ফেরিডিক্সিন, প্লাস্টোসায়ানিন প্রভৃতি ইলেক্ট্রন বাহক। 


ক্লোরােফিল—a অণু থেকে বিচ্ছুরিত উচ্চশক্তিসম্পন্ন ইলেকট্রন বিশ্লেষণের ফলে জলের আয়নীকরণ ঘটে। এরপর ক্লোরােফিল-b থেকে বিচ্ছুরিত ইলেক্ট্রন-পরমাণু ইলেক্ট্রন বাহকের মাধ্যমে বাহিত হয়ে পি.এস.ওয়ানে উপস্থিত ক্লোরােফিল b অণুতে প্রবেশ করে। ফোটনআয়িত ক্লোরােফিল—a-র সংস্পর্শে এসে জল বিশ্লেষিত হয়ে হাইড্রোজেন ও ইলেক্ট্রনাবিস্ট হাইড্রক্সিল আয়নে পরিণত হয়। 


পরে হাইড্রক্সিল আয়ন থেকে নির্গত হয় ইলেকট্রন, আয়িত বা উত্তেজিত ক্লোরােফিল অণুটি স্বাভাবিক অণু হয়ে নতুন ফোটন বা কোয়ান্টাম কণা সংগ্রহ করে। অপরদিকে হাইড্রক্সিল আয়ন পরিণত হয় হাইড্রক্সিল মূলকে। এ-পর্যন্ত ঘটিত ব্যাপারটিকে বলে ফোটোলাইসিস বা আলােকবিশ্লেষণ। 


The process by which green plants and some other organisms use sunlight to synthesize foods from carbon dioxide and water. Photosynthesis in plants generally involves the green pigment chlorophyll and generates oxygen as a byproduct.


আরেকটি পর্যায়ে, যাকে বলা হয় ফোটোফসফোরাইলেশন, সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এ-সময় ক্লোরােফিল—a থেকে দুটি ইলেক্ট্রন কণা বিচ্ছুরিত হয়ে উচ্চশক্তি সম্পন্ন এ.টি.পি অণুর সৃষ্টি করে, যার থেকে কার্বন-অণু সহযােগে কেলভিন চক্রের মাধ্যমে তৈরী হয় গ্লুকোজ , বা খাদ্য, যা সমগ্র উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের জন্য অপরিহার্য।


 জীবজগতে ক্লোরােফিলই একমাত্র পদার্থ, যা এনার্জিকে ম্যাটারে, অর্থাৎ শক্তিকে পদার্থে রূপান্তরিত করতে পারে। এইরকম সমতুল পদ্ধতি বিজ্ঞানীদের জানা নেই। প্রসিদ্ধ রিসার্চ প্রফেসর বিজ্ঞানী K.H. Pibram ক্লোরােফিলকে এক অত্যাশ্চর্য বিস্ময় (marvel) বলে ' বর্ণনা করেন (সবিজ্ঞান-২, p-32)।। 

বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে কোন পাতায়, এমনকি একটি ঘাসের পাতাতেও সালােকসংশ্লেষে খাদ্য তৈরী হওয়ার জন্য ৭০টি নিখুঁত, জটিল সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রয়ােজন হয়।


এই ভাবে তড়িৎ-বিদ্যা ও আলােক-বিজ্ঞান, পরমাণু-তত্ত্ব, রসায়ন, পদার্থবিদ্যার অতি উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে পাতায়। শুধু তাই নয়, বিস্মিত হতে হয়, কিভাবে সূক্ষ্মবিক্রিয়া-সমাধানের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে দু’রকম তরঙ্গ-দৈর্ঘ্যের আলােকরশ্মি। ফসফোরাইলেশনের আবর্ত পর্যায়ে ব্যবহৃত হয় দীর্ঘতর তরঙ্গ-দৈর্ঘের (Longer wavelength) রশ্মি, কিন্তু ‘অনাবর্ত’ পর্যায়ে ব্যবহৃত হয় ক্ষুদ্রতর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের (Shorter wave-length) রশ্মি। এই হাইয়ার ডাইমেনশনাল টেকনলজি’ব্যবহার করে বিজ্ঞানীদের ক্ষমতা নেই এক কণা গ্লুকোজ গবেষণাগারে সৃষ্টির। এই প্রযুক্তির আবিষ্কারক —পাতাই ?

Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Popular Posts

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION