Page

Follow

বিবর্তনবাদ। পেঙ্গুইন থেকে পাখির উদ্ভব ।। মাছ থেকে সরীসৃপের উৎপত্তি || Page-63

 

 বিবর্তনবাদ। পেঙ্গুইন থেকে পাখির উদ্ভব ।। মাছ থেকে সরীসৃপের উৎপত্তি

Source tex


কিভাবে মাছ হাঁটতে শুরু করেছিল ডাঙায় ?



 দু-এক রকম মাছের কথা শােনা যায় যারা স্থলে এসে সামান্য কিছু দূর হাঁটে’ তারপর ঝাঁপ দিয়ে জলে পড়ে। কিন্তু এমন কোন মাছের কথা জানা যায় না, যারা জল থেকে এসে ডাঙাতেই থেকে যায়, তারপর রূপান্তরিত হয় সরীসৃপে! 


এইসব সাক্ষাৎকারে প্রত্যেক জীবাশ্মবিদকে বিবর্তনবাদীয় মৎস কাহিনী সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হয়, জানতে চাওয়া হয় প্রথমে কোন্ সম্ভাব্য মাছ ডাঙায় হাঁটা পছন্দ করেছিল যে মাছ মানুষ-সহ স্থলের সকল প্রাণীর আদিম ঠাকুরদাদা! 


বিবর্তন তত্তের এটি একটি মৌল শিক্ষা, কিন্তু তা সত্ত্বেও সাক্ষাৎকার নেওয়া জীবাশ্মতত্ত্ববিদদের কেউই এমন কোন জীবাশ্ম-প্রমাণের কথা জানতেন না, যাতে প্রমাণ হয় যে কোন মাছের হাত পা গজিয়েছিল এবং ডাঙায় হাঁটতে শুরু করেছিল! 


কিভাবে উদ্ভব হল পাখীর ও পেঙ্গুইন পাখা মেলেছিল আকাশে 


বিশ্বাস করুন, স্রেফ বিশ্বাস করুন ! এই কাহিনীর পিছনে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ আছে। জেনে ডারউইন আবেদন রেখেছেন আমাদের বিশ্বাস করার প্রবণতার উপর ::

« এটা বিশ্বাস করতে বিশেষ অসুবিধাটি কোথায় যে পেঙ্গুইনের উন্নত উত্তরসুরীরা প্রথমে সমুদ্রের জলতলের উপর দিয়ে লম্বা মাথাওয়ালা পাতিহাঁসের মতাে ডানা ঝাপটাতে সমর্থ হলাে, তার পর অবশেষে একদিন সমুদ্র তল হতে উপরে উঠে শুরু করল হাওয়ায় গ্লাইড করতে – পাখা মেলতে?” 



* পাখা মেলে, পেঙ্গুইন হল পাখী। সেই উড়ন্ত পেঙ্গুইন।

**What special difficulty is there in believing that it might profit the modified descendants of the penguin, first to become enabled to flap along the surface of the sea like the loggerheaded duck, and ultimately to rise from its surface and glide through the air.”

Charles Darwin


পেঙ্গুইন। গ্লাইড প্রাটিসকরল।হল নীল আকাশের পাখী। 

বিবর্তনবাজ 


থেকে পরবর্তীতে হল হাজার হাজার অনুপম সুন্দর বর্ণ-বৈচিত্র্যময় কলকণ্ঠ বিহঙ্গদল। যখন টিয়া, তিতির, বুলবুলি, পারাবত, ময়ূর, রাজহংস, বসন্তবাউরীদের সৌভাগ্যক্রমে দেখবেন, তখন নিশ্চিত জেনে রাখবেন, সবই আসলে থপথপিয়ে চলা পেঙ্গুইন—বিবর্তিত রূপে। 


পেঙ্গুইনের আরাে কিছু বংশধর ও নীলকণ্ঠ, মাছরাঙ্গা, কাঠঠোকরা, ছাতার, ধনেশ, চিল, ঈগল, পানকৌড়ি, বাবুই, ভরত, ময়না, ফিঙ্গে, ঘুঘু, পাপিয়া। এছাড়া ফ্লেমিংগাে, হামিংবার্ড, স্টারলিং শত শত প্রজাতি। 


বর্ণ বৈচিত্র্যে, কলকণ্ঠ-সুরগীতিতে, সৌন্দর্যে প্রতিটি অনন্য এই পাখীগুলি পেঙ্গুইন থেকে মােডিফায়েড’ হয়ে ধীরে ধীরে তৈরী হয়েছে, যদিও এর কোটি কোটি অন্তর্বর্তী যােগসূত্র মেলার কথা, পাওয়া যায়নি একটিরও খোঁজ।।


তবুও, এটি সত্য, কেননা এটি ‘বিজ্ঞান’–‘বিশ্বাস করতে অসুবিধা কোথায় ?’আবেদন চার্লডারউইনের।।


২০০০ সালে ৬ই নভেম্বর দি টেলিগ্রাফের বিজ্ঞান-ক্রোড়পত্র নাে-হাউ ‘ইটস-এ বার্ড, ইটস-এ ডাইনােসোর' নামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে, নেচার পত্রিকার বিবরণ উদ্ধৃত করে। সেখানে বলা হয়েছে, পাখীর উদ্ভবের তত্ত্বেরও বিবর্তন হচ্ছে। পেঙ্গুইন-তত্ত্ব বাদ পড়েছে। একটি তত্ত্বে বলা হয় কুমীর থেকেই পাখীর উদ্ভব হয়েছে। কিন্তু পরে ডাইনােসসারের হাড়ের ৫৫০টি – ইন্টারসেকশন বা অন্তর্ব্যবচ্ছেদ পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে পাখীদের হাড়ের কোষ সন্নিবেশের সঙ্গে বেশ মিল – তাই বিশেষ ক্ষেত্রে ডাইনােসাের থেকেই ঘটেছে পাখীর উদ্ভব। অতি সম্প্রতি, নতুন এক পালক যুক্ত সরীসৃপ লংগিসকুমা ইনসাইনিয়াকে পাখীর আদি ঠাকুরদাদা বলে জানা গেছে। 


Click Here >>>Subscribe






Comments

y3

yX Media - Monetize your website traffic with us Monetize your website traffic with yX Media Monetize your website traffic with yX Media

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

sharethis-inline