Adsterra 7

 

Follow

উন্নততর আহার্য নীতি ,PAGE-264

  উন্নততর আহার্য নীতি 

PAGE-264



আহার স্বভাবকে প্রভাবিত করে এবং দেহ অবসানের পরও নিয়ন্ত্রণ করে জীবনের গতিপথ। সেজন্য আহার্যের উপর অবশ্যই গুরুত্ব দেওয়া দরকার। নিরামিষ আহারেও জীবহত্যা হচ্ছে, সেজন্য সেটিও পাপ। সেজন্য ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে, যে কেবল নিজের জন্য খাবার তৈরী করে , সে প্রতি গ্রাস আহারের সাথে পাপ ভােজন করতে থাকে (ভূঞ্জতে তে ত্বঘং পাপা যে পচন্তি আত্মকারণাৎ —৩/১৩)। সেজন্য পবিত্র ভাবে প্রস্তুত সাত্ত্বিক আহার্য। প্রথমে ভগবানকে নিবেদন করতে হয়। শাকসব্জি  , ফলমূল শস্যদানা, দুধ সবই ভগবানের দান, সেজন্য ভগবানকে নিবেদন না করে সেগুলি ভক্ষণ করা অকৃতজ্ঞতা, এমনকি চৌর্যবৃত্তি। সভ্য মানুষের প্রকৃত আহার্য হচ্ছে ভগবানকে নিবেদিত প্রসাদ। প্রসাদ ভােজনের ফলে শুদ্ধ সাত্ত্বিক স্বভাব ও উন্নত চেতনা বিকশিত হয়, এবং সমস্ত রকমের সঞ্চিত পাপ-ফল বিনষ্ট হয় (মুচ্যন্তে সর্ব কিল্বিষৈঃ-ভ. গী —৩/১৩)। প্রসাদ শব্দের অর্থ কৃপা, অনুগ্রহ। পরম পুরুষ ভগবানের অনুগ্রহে সকল দুঃখের সমাপ্তি ঘটেঃ প্রসাদে সর্বদুঃখানাং হানিরস্যোপজায়তে (ভ. গী —2/৬৫)।

Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION