Adsterra 7

 

Follow

নিরামিষাশী || নিরামিষাশীরা কি জীব হত্যা করছেনা?PAGE-263

 নিরামিষাশী - নিরামিষাশীরা কি জীব হত্যা করছেনা?

PAGE-263




প্রশ্ন উঠবে নিরামিষাশীদের হত্যা নিয়ে। নিরামিষাশীরা কি জীব হত্যা করছেনা? প্রতি শস্যকণায় প্রাণ রয়েছে, প্রাণ রয়েছে ফলে, বীজে,সব্জিতে । হত্যা ছাড়া বাঁচা কি সম্ভব?


সম্ভব নয়। এটিই জড়জগতের নিয়ম : জীব জীবস্য জীবনম, এই জড়জগৎ ভগবৎপ্রেমহীন বিদ্বেষী জীবেদের কারাগার, এখানে এক জীব অন্য জীবের হত্যা করে জীবন ধারণ করে। এবং অবশ্যই ভােগ করতে হয় হত্যার সমানুপাতে হত্যাজনিত পাপ - নিরামিষাশী হলেও। তবে যেহেতু উদ্ভিদের নার্ভাস সিস্টেম বা স্নায়ুতন্ত্র নেই, মস্তিষ্ক’ নেই, সেজন্য তাদের বেদনাবােধও অপেক্ষাকৃত অনেক কম। একটি আলু  হত্যা করা এবং একটি গরু বা প্রতি শস্যকণায় প্রাণ রয়েছে, প্রাণ রয়েছে ফলে, বীজে,সব্জিতে । হত্যা ছাড়া বাঁচা কি সম্ভব?


সম্ভব নয়। এটিই জড়জগতের নিয়ম : জীব জীবস্য জীবনম, এই জড়জগৎ ভগবৎপ্রেমহীন বিদ্বেষী জীবেদের কারাগার, এখানে এক জীব অন্য জীবের হত্যা করে জীবন ধারণ করে। এবং অবশ্যই ভােগ করতে হয় হত্যার সমানুপাতে হত্যাজনিত পাপ - নিরামিষাশী হলেও। তবে যেহেতু উদ্ভিদের নার্ভাস সিস্টেম বা স্নায়ুতন্ত্র নেই, মস্তিষ্ক’ নেই, সেজন্য তাদের বেদনাবােধও অপেক্ষাকৃত অনেক কম। একটি আলু  হত্যা করা এবং একটি গরু বা মানুষ হত্যা করা কখনই এক কথা নয়। জীবের চেতনা যত বিকশিত, তাদের বেদনাবােধ তত বেশি। মানুষকে সামান্য কটু কথা বললে সে স্বদেহে অগ্নিসংযােগ করে আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে পারে; কোন পশু এইভাবে কথার আঘাতে আত্মহত্যা করেনা। তবুও, আঘাত আঘাতই। সেজন্য একটি ছােট্ট শস্যদানা হত্যাতেও পাপ রয়েছে। তবে, আনুপাতিক হারে কম।


দ্বিতীয়তঃ দুধ-ফল-শাক সজীশ স্যদানা এগুলি চরিত্রগতভাবে সত্ত্বগুণাত্মক, সাত্ত্বিক আহার্য, সত্ত্বগুণ উৎপন্ন করে।ফলে জীবনান্তে নিম্নতর প্রজাতির দেহে অধঃপতিত হতে হয়না, বরং আরাে উন্নততর গতি লাভ হয় (উধ্বং গচ্ছন্তি সত্ত্বস্থা —ভ.গী..১৪/১৮)। 


শরীরকে পশুদের কবরখানায় পরিণত করে কখনই সুখী সুন্দর হওয়া যায় না, বলেছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক জর্জ বার্ণার্ড শ। তিনি কেন পশু মাংস আহার করেন না এই প্রশ্ন করা হলে উত্তরে বার্ণাড়শ জানান, “মৃতদেহ গুলােকে পেটের মধ্যে কবর দিয়ে লাভ কি? ওগুলাের জন্য তাে ভাগাড় রয়েছে।”

সর্বোপরি, নিরামিষ আহার্য মানুষের জন্য নির্ধারিত আহার্য। নিরামিষ ও আমিষ-আহারকারী যে দুই শ্রেণীর প্রাণী রয়েছে, মানুষ তার মধ্যে নিরামিষাশী শ্রেণীভুক্ত। প্রদর্শিত চার্টে সেটি সুস্পষ্ট হবে।


কোন মানুষই কেবল মাংস ও জল খেয়ে দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে না। কিন্তু কেবল দুধ খেয়ে বাঁচা সম্ভব, কেননা মানুষ প্রকৃতিগতভাবে নিরামিষাশী। মানব সভ্যতাকে ভবিষ্যতের গবেষকদের জন্য কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে, যারা রিসার্চ করে সঠিক তথ্য-গ্রাফ জানাবেন, কিভাবে মাংসাহার ও দুগ্ধ আহারের দুরকম প্রতিক্রিয়া হয়।


 একজন নেশাখাের মাদকাসক্ত ব্যক্তির চেনা এবং একজন নেশামুক্ত ব্যক্তির চেতনার মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকে –এজন্যই ছাত্রছাত্রীদের নেশা করতে দেওয়া হয় না। গাঁজা-আফিম-মদ যে চেতনাকে আচ্ছন্ন (তমােভাবাপন্ন) করে তােলে, এটি সকলেরই জানা।


তৃতীয়তঃ খাদ্যবস্তু ভগবানকে নিবেদন করলে প্রসাদে পরিণত হয়—যা সব পাপ দূরীভূত করে।।

Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION