Adsterra 7

 

Follow

যোগব্যায়াম || সিংহাসন || সিংহাসনের প্রণালী || সিংহাসনের উপকারিতা

  সিংহাসন।


 গুলফৌ চ বৃষণস্যাধঃ সীবন্যাঃ পার্শয়ােক্ষিপেৎ। 

দক্ষিণে সব্যগুন্তু দক্ষগুলন্তসব্যকে।।। 

হস্তৌ তু জাম্বােঃ সংস্থাপ্য স্বাঙ্গুলীঃ সম্প্রসাৰ্য্য চ।। 

ব্যাস্তবক্তো নিরীক্ষেত নাসাগ্ৰাং সুসমাহিতঃ।।

 সিংহাসনং ভবেদেতৎ পূজিতং যােগিপুঙ্গবৈঃ।। 

বন্ধত্রিতয়সন্ধানং কুরুতে চাসনােত্তমম্।।।




সিংহাসনের প্রণালী —

প্রথমে আপনাকে হাঁটু ভেঙে পায়ের পাতার অপর পিঠ নরম কম্বলের ওপর রেখে গােড়ালির উপর পাছা রেখে  সােজা হয়ে বসতে হবে  এবং উভয় হাত উভয় জানুর উপর রাখতে হবে । এই অবস্থায় গুহ্যদ্বার যাতে গােড়ালিদ্বয়ের মাঝখানে থাকে, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে । প্রথম প্রথম অভ্যাসের সময়ে হাঁটুতে কিঞ্চিৎ বেদনাবােধ হতে পারে, কয়েকদিন অভ্যাসের পর এইভাবে বসতে আর কোন কষ্ট হয় না। 

তবে হাঁটু ফোলা থাকলে (হাঁটুতে জল হলে) বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে অভ্যাস করা উচিত। এইভাবে প্রথমে  ছবির মত বজ্রাসনে বস্তে হবে । এখন হাঁটু দু’টি আস্তে আস্তে দু পাশে সরাতে হবে যে পর্যন্ত না উরুর সন্ধিস্থলে অল্প চাপ পড়ে। এইবার পায়ের পাতা দুটি অল্প সরিয়ে নিতম্বদেশ মাটিতে রেখে উভয় পায়ের বুড়াে  আঙ্গুল পরস্পরের সঙ্গে সংলগ্ন করতে হবে ।।  


এই অবস্থায় আস্তে আস্তে দু চোয়াল প্রসারিত করে মুখ-বিবর যতটা সম্ভব ফাঁক  করে জিহ্বা সাধ্যমত সামনে শিথিল ভাবে বার করে এবং নাসা রন্ধ্রে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে। 



 ছবির মত দুহাত জানুর উপর রেখে মেরুদন্ড সােজা করে বস্তে হবে ।।

এই অবস্থায় নাক দিয়ে দম নিয়ে সাধারণভাবে ১৫/২০ সেকেন্ড ধরে, মুখ দিয়ে শব্দ সহকারে দম ছাড়তে হবে , দম ছাড়ার সময় ভােকাল কর্ড কাঁপবে—পরে নাক দিয়ে দম নিতে হবে । এইরূপে ৫/৬ বার অভ্যাস করতে হবে ।।


এই আসন বেশ কয়েকদিন অভ্যাসের পর অভ্যাসকারী  ছবির মত জিহ্বাটি সম্পূর্ণ বার করে চিবুকটি কণ্ঠকূপে চেপে অর্থাৎ জালন্ধর বন্ধ করে দম নিতে ও ছাড়তে পারে।



সিংহাসনের উপকারিতা :-

১.এই আসন অভ্যাসের ফলে কন্ঠের চারিপাশে পেশীগুলি শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং এর ফলে পেশীগুলি কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ফলস্বরূপ তোতলামি দূর হয়ে যায়। 


২.স্বরের কর্কশতা এই আসন অভ্যাসে বহুল পরিমাণে দূর হয় এবং সঙ্গীত শিক্ষার্থীদের গলার স্বর মিষ্ট হয়।


৩.এই আসন অভ্যাসে  মেরুদণ্ডকে  সোজা ও নমনীয় করে তোলে। এই আসন  অভ্যাসের ফলে পায়ের বাত , পায়ের গোড়ালির বাত ,পায়ের গেঁটেবাত, ক্রমশ সেরে ওঠে। 


৪.এই আসন  অভ্যাসের ফলে যেহেতু পায়ের উপর এবং পায়ের পাতার  উপর চাপ দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে বসতে হয় তাই পায়ের পেশি শক্ত হয় ও মজবুত হয়। 


৫.বিশেষত এই আসন অভ্যাসের ফলে দেহের নিম্নগামী স্নায়ু  ও পেশি শক্ত কঠিন ও মজবুত হয়। 


৬.এই আসনের ভঙ্গি যেহেতু অনেকটা বজ্রাসন এর কাছাকাছি ,তাই  বজ্রাসন এর মত এই আসন অনেকটা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও দেহে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তে সহায়তা করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে ওঠে। 


৭.এই আসন শ্রবণশক্তি বৃদ্ধি করে এবং টনসিলের অসুস্থতা দূর করতে সহায়তা করে। এই আসনের সঙ্গে সর্বাঙ্গাসন, মৎস্যাসন ও হলাসন অভ্যাস করলে আরও দ্রুত ফললাভ হয়।


Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION