Adsterra 7

 

Follow

যোগব্যায়াম-পদ্মাসন কে আমরা যোগাসনের মধ্যে প্রথম যোগাসন বলি কেন ?

   



যোগাসনের মধ্যে প্রথম যোগাসন  হলো পদ্মাসন ,


পদ্মাসন কে আমরা যোগাসনের মধ্যে প্রথম যোগাসন বলি  কেন ?

এর কারণ হচ্ছে আমি উদহারণ হিসেবে বলতে পারি , তুমি কোনো কাজ যদি সম্পূর্ণ সঠিক ভাবে করতে চাও ,তাহলে ওই  কাজটির উপর তোমার সম্পূর্ণ ইচ্ছাশক্তি থাকা অত্যন্ত জরুরি।  আর ঐ কাজটি সম্পূর্ণ করতে হলে তোমাকে একাগ্রতার সহিত কাজটি করতে হবে অর্থাৎ তোমার মন যদি এদিকওদিক লাফায় তাহলে তোমার কাজটি সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশিত হবেনা। 


তাই কোনো কাজ সম্পূর্ণ করতে হলে প্রথমে ওই কাজটির উপর ইচ্ছাশক্তি অর্থাৎ আগ্রহ বাড়াতে হবে ,তাহলে কাজটি সম্পূর্ণ হবে।    


আমরা যদি সব যোগাসনের পূর্বে পদ্মাসন করি, অথবা কোনো কর্মের অর্থাৎ কাজের  পূর্বে পদ্মাসন করি ,তাহলে আমাদের ওই কাজের উপর মন স্থির থাকে ,এই কাজের প্রতি আমাদের ইচ্ছাশক্তি ও একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। 

তাই  কোনো কর্ম  অর্থাৎ  যেকোনো  কাজের  পূর্বে  পদ্মাসন করা উচিত। 


তাই পদ্মাসন কে পূর্বাসন বলা অনুচিত নয়,অর্থাৎ পদ্মাসনকে -পূর্বাসন বললে কোনোখতি নেই  ।       


     পদ্মাসন  আমরা কি ভাবে শুরু করবো ?


 প্রণালী - পা দুটি সামনে ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসতে হবে। এইবার ডান পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে বাঁ জানুর ওপর রাখতে হবে। যাতে ডান পায়ের গোড়ালী তলপেটে বাঁ দিকের মূলাধার স্পর্শ করে। এখন বাঁ পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে ডান পায়ের উপর এমনভাবে রাখতে হবে, যাতে বাঁ পায়ের গোড়ালী ডান দিকের মূলাধার স্পর্শ করে। এই অবস্থায় যাতে হাঁটু ভূমি থেকে না উঠে পড়ে, সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। এই আসনে অবস্থানকালে শির, গ্রীবা ও মেরুদণ্ড সোজা ও সরলভাবে তাকবে। হাত দুটি পাশের ছবির মতো কোলের উপর রাখলে ভালো হয়।



পদদ্বয়ের এইরূপ অবস্থানের সঙ্গে পদ্মের সাদৃশ্য আছে। তাই মনে হয় এই আসনটির নাম পদ্মাসন।


এই অবস্থায় ৩০ সেকেন্ড পা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং পা পরিবর্তন করে অর্থাত্‍ প্রথমে বাং পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে ঠিক আগের মতো পদ্মাসন অভ্যাস করতে হবে। এই আসন প্রথমে ৩০ সেকেন্ড করে ৪ বার অভ্যাস করতে হবে। এই আসন প্রতিবার অভ্যাসের পর পা ছড়িয়ে ১৫ সেকেন্ড শবাসনে বিশ্রাম নিতে হবে।   


     

উপকারিতা -   বিশেষতঃ এই যোগআসন প্রিতিটি ছাত্র ছাত্রী দের করা অত্যন্ত জরুরি ,এই আসনে মনঃসংযোগ এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি পায় ,এই  আসনের ফলে আমাদের মন  স্থির হয় ,এরফলে আমাদের অধ্যায়ণের  কোনো বিষয়বস্তু আমরা সহজে বুঝতে সখ্যম হই। 

যারা সায়েন্স বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে ,এই সব ছাত্রছাত্রী যদি এই যোগআসন টি করে তাহলে তাদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত উপকারী। 


.এই আসনের ফলে আমাদের সমগ্র শরীরের রক্ত প্রবাহ সঠিক অবস্থায় থাকে,এই আসনের ফলে আমাদের মেরুদণ্ড দৃঢ় ও শক্তিশালী হয় ,এই আসনের ফলে আমরা দীর্ঘায়ু লাভ করতে পারি । 



এই যোগাসন অভ্যাসে পায়ের বাত ইত্যাদি দূর হয়। পদ্মাসন একটি শারীরিক অবস্থান, যাতে মেরুদণ্ড বক্র হয় না। মেরুদণ্ডের কর্মক্ষমতার উপরই আমাদের যৌবন ও স্বাস্থ্য নির্ভর করে। আমরা একে যত অবক্রunbend  ও নমনীয় রাখতে পারব, দেহভ্যন্তরের যন্ত্রগুলি তত ভালোভাবে কাজ করার দরুন আমাদের যৌবন অটুট থাকবে। কাজেই যাদের বসে কাজকর্ম করতে হয় (যেমন ছাত্র, কেরানী ইত্যাদি) তাদের সমস্ত দিনের মধ্যে অবসর সময়ে অন্তত প্রতিবারে ২ বার করে ৪ বার এই আসন অভ্যাস করা বিশেষ ফলপ্রদ।


ধ্যান-ধারণা অভ্যাসে এই যোগাসন অপরিহার্য। এই যোগাসন  অভ্যাসে একাগ্রতা বাড়ে। দীর্ঘজীবন লাভ করা যায়।

Subscribe For Latest Information






Comments

This Blog is protected by DMCA.com

Subscribe

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

adstera-6

         

Email Subscription

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner

EMAIL SUBSCRIPTION